শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

৬ মাসে ৭৭০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৫, ২:৫২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
৬ মাসে ৭৭০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত
৬ মাসে ৭৭০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত

কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলার পর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে গত ছয় মাসে অন্তত ৭৭০ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দিল্লি পুলিশের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলার পর দিল্লি পুলিশ অবৈধ বিদেশি নাগরিক ও অভিবাসীদের বিরুদ্ধে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে মোট ৫২০ জনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে ৪৭০ জনই বাংলাদেশি।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ প্রায় ২২০ জন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং ৩০ জন ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (FRRO)-এর মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গাজিয়াবাদের হিন্দন বিমানঘাঁটি থেকে গত এক মাসে ৩ থেকে ৪টি বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে অনেককে আগরতলায় পাঠানো হয়। এরপর তাদের রেল ও সড়কপথে পশ্চিমবঙ্গে, এবং সেখান থেকে বাসে করে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের শেষের দিকে জারি করা একটি নির্দেশনার ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশের ১৫টি জেলার উপ-কমিশনারদের অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত ও আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরই পাঁচটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্র স্থাপন করে পুলিশ।

এদিকে অভিযানের অংশ হিসেবে দিল্লি পুলিশের ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন ও FRRO-এর যৌথ উদ্যোগে আটককৃতদের ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে থেকে তাদের সীমান্তে হস্তান্তর করে বিএসএফ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ ৩৪ হাজার ২৬৫ জন সন্দেহভাজন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীর তথ্য পর্যালোচনা করেছে। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ২১৭ জনের কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেছে। বাকি ২৭৮ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই এখনো প্রক্রিয়াধীন।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: