শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

মিত্রদের ট্রাম্পের বার্তা

নিজে লড়াই করা শিখতে হবে, যুক্তরাষ্ট্র আর সহায়তা দেবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো সহায়তায় এগিয়ে আসবে না; নিজেদের স্বার্থে তাদেরই পদক্ষেপ নিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশকে হরমুজ প্রণালিতে গিয়ে ‘নিজেদের জ্বালানি নিয়ে নেওয়ার’ পরামর্শ দিয়েছেন।

ট্রাম্প তার মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে দেওয়া পোস্টে বলেন, ‘তোমাদের নিজেদের জন্য লড়াই করা শিখতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র আর সাহায্যে থাকবে না, যেমন তোমরা আমাদের পাশে ছিলে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে যুক্ত হয়নি, তাদের এই অবস্থার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী এই প্রণালির মধ্য দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে কোনো ধরনের উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্রাম্প তার পোস্টে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রচুর জেট ফুয়েল’ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে অন্য দেশগুলো তা কিনতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরান ইতিমধ্যে ‘প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে’ এবং কঠিন কাজ শেষ।

তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, কোনো দেশ সরাসরি অন্য দেশের সম্পদ ‘নিয়ে নেওয়ার’ আহ্বান আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতির পরিপন্থী। এমন পদক্ষেপ বাস্তবে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল এলাকায়।

এ বিষয়ে এখনও যুক্তরাজ্য বা অন্যান্য মিত্র দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ভোরের আকাশ/এনএস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

শেয়ার করুন: