শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ৩:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে হঠাৎ করেই সুর নরম করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি দেওয়া হুমকি থেকে সরে এসে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার সিদ্ধান্ত ৫ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন।

সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভালো আলোচনা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে অগ্রগতি হয়েছে। তবে এই দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিয়েছে তেহরান।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগই হয়নি। দেশটির ফারস বার্তা সংস্থা এক অজ্ঞাত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের হুঁশিয়ারির মুখেই ট্রাম্প পিছু হটেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার সতর্কবার্তা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তন আসে। যদিও এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে কাবুলে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসও বলেছে, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার কারণেই ট্রাম্প হামলা থেকে বিরত থেকেছেন। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজও একই ধরনের দাবি করেছে।

এর আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই সময় তিনি দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকিও দেন।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এসে সেই অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গেও সমন্বয়ের ভিত্তিতে এ ধরনের ব্যবস্থা হতে পারে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সব মিলিয়ে ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিধা ও প্রশ্ন। একদিকে আলোচনার দাবি, অন্যদিকে ইরানের অস্বীকৃতি এবং পাল্টা হুমকির প্রেক্ষাপটে তার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে অনেকেই কৌশলগত পিছু হটা হিসেবে দেখছেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ 

ইরান

শেয়ার করুন: