শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের অগ্নিবীর প্রকল্পে নিয়োগের দাবিতে নেপালি তরুণদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে নেপালকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে দেশটিতে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটন শহর পোখারায় এ আন্দোলন শুরু হয়। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নেপালি রেজিমেন্ট হিসেবে পরিচিত গোর্খা রেজিমেন্টের সাবেক সেনা কর্মকর্তারা আন্দোলনটির সংগঠকের ভূমিকা পালন করছেন।

আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) সরকারি সফরে পোখারায় আসছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিফ অব আর্মি স্টাফ ধিরাজ সেথ। তাঁর সফরকে সামনে রেখে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন নেপালি তরুণরা। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, অগ্নিবীর প্রকল্পে নেপালি তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব নেপালে এ প্রকল্পের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

নেপালের নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে গোর্খা রেজিমেন্ট নামে পৃথক রেজিমেন্ট রয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ান আর্মিতে এই রেজিমেন্ট গঠিত হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর যুক্তরাজ্য ও ভারত নিজেদের সেনাবাহিনীতে গোর্খা রেজিমেন্ট বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছর ব্রিটেন, ভারত ও নেপালের মধ্যে এ বিষয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়।

বর্তমানে ভারত ও ব্রিটেনের সেনাবাহিনীতে গোর্খা রেজিমেন্ট রয়েছে। তবে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় ভারতীয় গোর্খা রেজিমেন্টে নেপালি নাগরিকদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়। সেই স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে।

এদিকে প্রতিরক্ষা ব্যয় কমানো এবং সেনাবাহিনীতে স্বল্পমেয়াদি নিয়োগের লক্ষ্যে ২০২২ সালে অগ্নিবীর প্রকল্প চালু করে ভারত। এটি ‘অগ্নিপথ’ নামে বৃহত্তর নিয়োগ প্রকল্পের অংশ।

অগ্নিবীর প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণসহ মোট চার বছর চাকরি করতে হয়। চার বছর শেষে তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশকে স্থায়ীভাবে সেনাবাহিনীতে রাখার সুযোগ রয়েছে। বাকি ৭৫ শতাংশকে ‘সেবা নিধি’ প্যাকেজের আওতায় এককালীন অর্থ দিয়ে অব্যাহতি দেওয়া হয়। প্রকল্প অনুযায়ী, এই অর্থ করমুক্ত।

আরও পড়ুন

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফ্যালকন স্ট্রাইক’ টাস্কফোর্স গঠন

নেপালি তরুণদের দাবি, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অগ্নিবীর প্রকল্পে নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করা হোক। তবে এই দাবির সঙ্গে একমত নয় নেপাল সরকার।

কাঠমান্ডুর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা ১৯৪৭ সালে নেপাল, ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ফলে অগ্নিবীর প্রকল্পে নেপালি নাগরিকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে নেপাল সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সূত্র : এনডিটিভি

ভোরের আকাশ/সু.পা

ভারতের অগ্নিবীর, নেপালি তরুণদের বিক্ষোভ

শেয়ার করুন: