শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে বড় বিপদে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ মার্চ ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে ইসরায়েলের অর্থনীতি এখন এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুদ্ধের প্রভাবে প্রতি সপ্তাহে ইসরায়েলের প্রায় ৯৪০ কোটি শেকেল বা প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড বর্তমানে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ ‘রেড’ সতর্কবার্তা জারি করায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

অপারেশন ‘রোরিং লায়ন’ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলজুড়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় সেবা ছাড়া সাধারণ নাগরিকদের কর্মস্থলে যাওয়ার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় দেশের উৎপাদন খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

এছাড়া বিপুল সংখ্যক কর্মক্ষম নাগরিককে জরুরি ভিত্তিতে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় কল-কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম জনবল সংকট দেখা দিয়েছে, যা অর্থনৈতিক মন্দাকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে সম্ভাব্য ২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন শেকেল থেকে ৩ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই বিশাল ক্ষতির প্রধান কারণ উৎপাদন বন্ধ থাকা। বিশেষ করে ইরানের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গিয়ে ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন বাজার ব্যবস্থা ও পণ্য সরবরাহ বা সাপ্লাই চেইন। দেশটির এক সময়ের চাঙ্গা পর্যটন খাত এখন সম্পূর্ণ জনশূন্য, যা জাতীয় আয়ের একটি বড় অংশ কেড়ে নিয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েলের নাগরিকদের একটি বিশাল অংশ দিনের অধিকাংশ সময় বাংকার বা নিরাপদ আশ্রয়ে কাটাচ্ছেন। এর ফলে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র, রেস্তোরাঁ এবং সেবা খাতের ব্যবসা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। যুদ্ধের পেছনে সরকারের নজিরবিহীন প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের মান আরও কমে যেতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা এবং ন্যাটোর আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ইসরায়েলি শেয়ার বাজারে। বড় বড় বিনিয়োগকারীরা এখন দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন এবং অনেক বহুজাতিক কোম্পানি তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ইসরায়েলি সরকার এই অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে থাকলেও যুদ্ধের ময়দানে ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস
 

ইরানইসরাইল

শেয়ার করুন: