শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রামবাসীর তোপের মুখে খাটের নিচে তৃণমূল নেতার আশ্রয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুন ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি আবাসন প্রকল্পে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতার মুখে পড়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি নিজের শোয়ার ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, অভিযুক্ত নেতার নাম শহিদুল মিয়া। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের জোরপাকড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় বাড়ি বরাদ্দের আশ্বাস দিয়ে শহিদুল বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিলেন। তবে প্রতিশ্রুত সুবিধা না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বাসিন্দাদের দাবি, নেওয়া অর্থ ‘কাটমানি’ হিসেবে আদায় করা হয়েছিল এবং এর বিপরীতে তারা কোনো সুবিধা পাননি।

গত ২৫ মে থেকে এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা শুরু হয়। প্রথমে একদল নারী টাকা ফেরতের দাবিতে শহিদুলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে বুধবার আরও বড় পরিসরে গ্রামবাসীরা তার বাড়ি ঘেরাও করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনরোষের মুখে পড়ে শহিদুল বাড়ির ভেতরে আশ্রয় নেন এবং একপর্যায়ে শোয়ার ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার রুপি পর্যন্ত নিয়েছেন। সব মিলিয়ে আদায় করা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ রুপির কাছাকাছি হতে পারে বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় এক বাসিন্দা ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, “গরিব মানুষের কাছ থেকে বাড়ি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউ কোনো বাড়ি পায়নি। আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই।”

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে চাঁদাবাজি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান জোরদার হয়েছে।

সম্প্রতি এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে কলকাতা পৌরসভার কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও কয়েকজন কাউন্সিলরকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন

নিউজিল্যান্ডের ৪ এমপি বিরুদ্ধে চীনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

রাজ্যজুড়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যেই শহিদুল মিয়াকে ঘিরে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

 

পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস

শেয়ার করুন: