শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বে বেড়েছে খাদ্যের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানির দাম বাড়ায় মার্চ মাসে বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সংস্থাটি জানায়, বৈশ্বিক ফুড প্রাইস ইনডেক্স মার্চে গড়ে ১২৮.৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির সংশোধিত স্তরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।

সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেন, সংঘাত শুরুর পর থেকে খাদ্যের দামে বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। এটি মূলত তেলের উচ্চ মূল্যের কারণে হয়েছে, তবে বৈশ্বিকভাবে পর্যাপ্ত শস্য মজুত থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি এই সংঘাত ৪০ দিনের বেশি স্থায়ী হয় এবং উৎপাদন ব্যয় উচ্চ থাকে, তাহলে কৃষকরা উৎপাদনে বিনিয়োগ কমাতে পারেন, কম চাষ করতে পারেন বা ফসল পরিবর্তন করতে পারেন।

এদিকে ইরানের অবকাঠামোতে আরও জোরালো হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখনো পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক আর্থিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। ফলে দ্রুত সমাধান খুঁজে বের করতে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প তার বক্তব্য আরও কঠোর করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইরানে যা অবশিষ্ট আছে, তা ধ্বংস করা আমরা এখনো শুরু করিনি। এরপর লক্ষ্য হবে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র। তিনি আরও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে এবং তা দ্রুত করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স

ভোরের আকাশ/এনএস

জাতিসংঘবিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম

শেয়ার করুন: