শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলকে সাহায্য করা ১৫৮ কোম্পানির তালিকা প্রকাশ: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

অধিকৃত পশ্চিমতীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিতে কার্যক্রম চালানো কোম্পানিগুলোর একটি হালনাগাদ ডেটাবেজ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জেনেভা থেকে প্রকাশিত এ তালিকায় এয়ারবিএনবি, বুকিং ডটকম, মটোরোলা সলিউশন্স এবং ট্রিপ অ্যাডভাইজরের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

তালিকায় মোট ১১টি দেশের ১৫৮টি কোম্পানির নাম রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই ইসরায়েলভিত্তিক। বাকিগুলো কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক এ প্রসঙ্গে বলেন, পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন নীতি ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’।

তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ জানায়, যেসব কোম্পানি বসতিতে নির্মাণকাজ, নজরদারি, উচ্ছেদ বা কৃষিজমি ধ্বংসের মতো কার্যক্রমে জড়িত- শুধুমাত্র তাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, এ তালিকা কোনও বিচারিক বা আধা-বিচারিক প্রক্রিয়া নয়, বরং সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ববোধের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা।

প্রথম তালিকা প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে। শুরু থেকেই এ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তখন ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের এ পদক্ষেপকে কঠোরভাবে সমালোচনা করে।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এটিকে ‘একটি লজ্জাজনক আত্মসমর্পণ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

ভোরের আকাশ/তা.কা

ইসরায়েল

শেয়ার করুন: