শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ৫১ নিহত, সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ২৪ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৫, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিন গাজায় মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ হারান ২৪ জন।

অন্যদিকে অনাহার ও অপুষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮ জনের। এছাড়া গাজা শহরে এক হাজারের বেশি ভবন ধ্বংস করেছে ইসরায়েল। সোমবার (২৫ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে গাজা শহরে এক হাজারের বেশি ভবন ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো শত শত মানুষ আটকা পড়েছে।

টানা গোলাবর্ষণ ও অবরুদ্ধ সড়কের কারণে উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ পৌঁছানো অনেক এলাকায় কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, কিন্তু তাদের সন্ধান ও সাহায্যে ত্রাণকর্মীরা সঠিকভাবে কাজ করতে পারছেন না।

গাজার হাসপাতালগুলো অত্যন্ত চাপের মধ্যে রয়েছে, চিকিৎসকরা আহতদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। সিভিল ডিফেন্স আরও বলছে, গাজার কোথাও এখন নিরাপদ জায়গা নেই, বেসামরিক এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পর্যন্ত বোমাবর্ষণ চলছে।

ইসরায়েলি সেনারা ট্যাংক নিয়ে গাজা শহরের সাবরা এলাকায় প্রবেশ করেছে, যার ফলে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি দক্ষিণ দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এই হামলার ফলে গাজায় দুর্ভিক্ষের অবস্থাও আরও সংকটময় হয়ে উঠেছে। খাদ্যাভাবে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অপুষ্টি ও অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে, যার মধ্যে ১১৫ জন শিশু।

মানবাধিকার কর্মীরা সতর্ক করছেন, ইসরায়েলের এই অভিযান গাজা শহর ধ্বংস করে পুরো অঞ্চল থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে উৎখাতের লক্ষ্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

গাজা যুদ্ধফিলিস্তিনিইসরায়েল

শেয়ার করুন: