শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুলাই ২০২৬, ৬:২৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অরুণাচল প্রদেশের অপার সুবনসিরি জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর চীনা সেনাবাহিনীর কথিত অনুপ্রবেশ এবং জমি দখল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ‘নাহ’ আদিবাসী সম্প্রদায়। 

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া এক স্মারকলিপিতে ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ দাবি করেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি, শিকার অঞ্চল এবং কৃষিজমির একটি বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।

তাকসিং রেভিনিউ সার্কেলের অধীনে থাকা ওয়িং, পানিয়ার, মারপান, পোটরাং এবং তিন্দিংতাং-এর মতো পাঁচটি সুনির্দিষ্ট এলাকায় এই চীনা তৎপরতার কথা জানানো হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থান স্থানীয়দের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। ২০২০ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত এলাকায় স্থানীয়রা অবাধে যাতায়াত করতেন এবং গবাদি পশু চরাতেন, সেখানে এখন চীনা সেনারা সামরিক ক্যাম্প এবং রাস্তাও নির্মাণ করেছে।

আদিবাসী সংগঠনটির অভিযোগ, বিগত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে চীন তাকসিং সীমান্ত এলাকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজেদের অবকাঠামো ও নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করছে। স্থানীয় নাচোর বিধায়ক নাকাপ নালো এই বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত একটি অত্যন্ত গুরুতর ইস্যু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি জাতীয় বিষয় হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মাঝে স্বাভাবিকভাবেই গভীর উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে এবং পুরো অভিযোগটির প্রশাসনিক ও সরকারি স্তরে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইকরণ বা তদন্ত প্রয়োজন। আদিবাসীরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখলেও চীনের বর্তমান আগ্রাসী মনোভাব এবং কাজের গতি নিয়ে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে রয়েছেন, যার ফলে তারা দিন দিন নিজেদের মাতৃভূমি হারাচ্ছেন বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন

আইভরিকোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

তবে এই অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত আপার সুবানসিরি জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার পত্রিকা।

ভোরের আকাশ/এম

চীনা সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন: