আইভরিকোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

আর্লিং হালান্ডের শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত গোলে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে। বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা।
নকআউটের পরের ধাপে তাদের প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মঙ্গলবার গভীর রাতে ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই পরিকল্পিত ফুটবল খেলেছে নরওয়ে। প্রথমার্ধে বলের দখল তুলনামূলক কম থাকলেও সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেনি তারা। ৩৯তম মিনিটে অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত পাস থেকে আন্তোনিও নুসা বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে গোল করে নরওয়েকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
বিরতির পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় আইভরি কোস্ট। একের পর এক আক্রমণে নরওয়ের রক্ষণকে চাপে ফেলে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। সেই চাপের ফল আসে ৭৪তম মিনিটে। দৃষ্টিনন্দন দলীয় আক্রমণ থেকে আমাদ দিয়ালো গোল করে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান।
সমতায় ফেরার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই আইভরি কোস্টের দিকে চলে যায়। তবে শেষ হাসি হাসেন হালান্ড। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে সতীর্থের বাড়ানো পাস নিয়ন্ত্রণে এনে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার। তার সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে আবারও এগিয়ে যায় নরওয়ে।
শেষ কয়েক মিনিটে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও নরওয়ের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আইভরি কোস্ট। নির্ধারিত সময় শেষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউরোপের দলটি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লিখেছে নরওয়ে।
হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোল শুধু একটি ম্যাচই জেতায়নি, বরং দলকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে। এখন ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নরওয়ের সামনে।
ভোরের আকাশ/এম