শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলের হামলায় শিশুদের ভয়াবহ মূল্য দিতে হচ্ছে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় শিশুদের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের শিশু সংস্থার মুখপাত্র জেমস এলডার জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অন্তত ৭০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, শিশুরা অসহনীয় মূল্য দিচ্ছে। সামরিক অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

তার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে গড়ে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একজন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছে আরও প্রায় ৮৫০ শিশু। অধিকাংশ হতাহত হয়েছে গুলিবর্ষণের ঘটনায়।

আরও পড়ুন

নীলফামারীতে খোলা ট্রাকে টিসিবির পণ্য পেয়ে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ

জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত মার্চে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ছিল গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সংস্থাটির মতে, ইসরায়েলি হামলার কারণে শিশুদের বেঁচে থাকা ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার মৌলিক পরিবেশও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, পানির অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং মানুষের চলাচল সীমিত করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জাতিসংঘফিলিস্তিনহামলা

শেয়ার করুন: