শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের জন্য কঠিন বার্তা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই শান্তিচুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি না হলে তেহরানের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তেহরানের জন্য এখন সমঝোতায় পৌঁছানোই সবচেয়ে ভালো বিকল্প।

তিনি আরও বলেন, ইরানেরও একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর স্বার্থ রয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক চীন সফরে ইরান ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত দিতে পারেননি তিনি।

অন্যদিকে, নয়াদিল্লিতে ব্রিকস বৈঠক শেষে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, তেহরান এখনো আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অতীত ঘটনার কারণে ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না ইরান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধ-পরবর্তী নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামোর পরিকল্পনা করছে তেহরান।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে নতুন করে হামলার প্রস্তুতি জোরদার করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর এটিকে সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই নতুন অভিযান চালানোর মতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, সম্ভাব্য অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধারে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

তবে কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হতে পারে এবং ইরানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকবে।

চলমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানি বন্দর অবরোধের কারণে অন্তত ৭৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে রুট পরিবর্তন করতে হয়েছে। অন্যদিকে ইরান প্রণালি ব্যবহারে ফি আরোপ ও নিজস্ব তদারকির ইঙ্গিত দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন

স্ত্রী-কন্যাসহ আল-হাদ্দাদের জানাজায় হাজারো ফিলিস্তিনি

এ অবস্থায় কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ফোনালাপে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সময়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তেহরান সফর করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সংলাপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তবে যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে অর্থনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, আর ইরানে নিত্যপণ্যের দামও কয়েকগুণ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা এবং নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো এখন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: