শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের মান উন্নত করা হয়েছে : বিপাকে মার্কিন বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ৩:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও তাদের মিত্র দেশগুলোতে একের পর এক সুনির্দিষ্ট ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গভীর উদ্বেগে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের উন্নত প্রযুক্তির নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানার ক্ষমতার সামনে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।

পাকিস্তানি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস-এর তথ্যমতে, মার্কিন ও তাদের মিত্রদের অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো ইরানি মিসাইল সঠিকভাবে শনাক্ত করতে পারছে না অথবা মাঝপথে ধ্বংস করতে ব্যর্থ হচ্ছে। সম্প্রতি জর্দানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে বারবার আঘাত হেনেছে এসব মিসাইল।

জর্দানের ঘাঁটিতে ঘটে যাওয়া এই হামলায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। পেন্টাগন স্বীকার করেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের নানা হামলায় শতাধিক মার্কিন সামরিক সদস্য আহত হয়েছেন।

ইরানের এই সফলতার পেছনে রয়েছে তাদের নতুন যুদ্ধকৌশল। জর্দানের অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান প্রথমে সাধারণ ড্রোন ও রকেট পাঠিয়ে মার্কিন রাডারকে বিভ্রান্ত করে।

আরও পড়ুন

ইরানের হামলায় ৫০০ মার্কিন সেনা আহত, নিহত ১৭

এরপরই ছোড়া হয় গতিপথ বদলাতে সক্ষম উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে শেষ ৩০-৪০ কিলোমিটারে এসে মার্কিন কোটি কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়ে।

মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ফাঁক গলে একটি ক্ষেপণাস্ত্রও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানলে তা বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনে। এই পরিস্থিতি বর্তমানে পুরো অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

ভোরের আকাশ/এম

মার্কিন বাহিনী

শেয়ার করুন: