শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানি অভিযানে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম ক্ষয়ক্ষতির তালিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে পরিচালিত অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রোববার (২৬ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এক বিবৃতিতে জানান, ৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনের অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, জ্বালানি অবকাঠামো, ড্রোন ঘাঁটি, যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আইআরজিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ও সরঞ্জামের মধ্যে যা যা রয়েছে-
রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা খাত: ৭টি কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, ৩টি স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা, ৬টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, ৩টি আকাশ ও সমুদ্র পর্যবেক্ষণ রাডার, ৮টি আগাম সতর্কীকরণ রাডার, ৭টি আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, ৩টি ইপিএস রাডার ব্যবস্থা, ২টি ইপিএস-১১৭ রাডার, ৫টি দীর্ঘপাল্লার রাডার, ২টি বিমান প্রতিরক্ষা রাডার ও ১টি ট্যাকটিক্যাল রাডার কমপ্লেক্স।

সহায়তা ও রসদ খাত: ৬টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, ৩টি লজিস্টিক ও সহায়তা কেন্দ্র, ১২টি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক, ১৭টি অস্ত্র, খুচরা যন্ত্রাংশ ও সামরিক সরঞ্জামের গুদাম ও ৬টি ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার।

অপারেশনাল অবকাঠামো খাত: ৬টি এমকিউ-৯ ড্রোন বেস, ১টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকরণ কেন্দ্র, ১টি ড্রোন বেস; যেখানে ৮টি নতুন ড্রোন ছিল, ২টি কমান্ড সেন্টার, ১টি বিমানবাহী রণতরির জ্বালানি সরবরাহ প্ল্যাটফর্ম, ১টি পি-৮ নজরদারি বিমানের বেস, ৪টি হাইমার্স ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যাটফর্ম, ৫টি যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার, ৪টি প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা কমপ্লেক্স, ৬টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম, ১টি জ্বালানি পাম্পিং স্টেশন, ২টি সিগন্যাল যোগাযোগ কেন্দ্র, ১টি গোয়েন্দা তথ্যকেন্দ্র, অ্যামাজনের ১টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, দূরনিয়ন্ত্রিত নৌযান সংরক্ষণের ১টি ডিপো, ১টি জ্বালানি জেটি, ৪টি যুদ্ধবিমানের সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্র, ৬টি বিমান উড্ডয়ন ও পার্কিং র‌্যাম্প।

আরও পড়ুন

সৌদিতে শ্রম ও আবাসন আইন ভঙ্গে গ্রেপ্তার প্রায় ১৫ হাজার

বিমান সক্ষমতা খাত: মাটিতে থাকা ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত, ১৭টি নজরদারি ও অভিযান, পরিচালনাকারী ড্রোন, যার মধ্যে ৮টি ছিল একেবারে নতুন, আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ১টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, ১টি পি-৮ নজরদারি বিমান, ১টি সি-১৭ সামরিক পরিবহন বিমান, ৮টি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, ৪টি ভারী হেলিকপ্টার ও গুদামে থাকা ৬টি ক্ষেপণাস্ত্র।

আইআরজিসির দাবি, এসব হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে এবং প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সহজেই নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তবে আইআরজিসির এই দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: