শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠিন হচ্ছে ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার জন্য আসা বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যূনতম আর্থিক সক্ষমতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে ফ্রান্সে ভর্তি হতে বা শিক্ষার্থী হিসেবে রেসিডেন্স পারমিট পেতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে ন্যূনতম ৮৭৭ দশমিক ৫০ ইউরো আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে।

গত ২২ জুন জারি হওয়া নতুন এক ডিক্রিতে এ কথা বলা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ২০২৬ সালের বাজেট আইনের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ইউরোপীয় অর্থনৈতিক এলাকা (ইইএ) এবং সুইজারল্যান্ডের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্স পারমিট পেতে বা নবায়ন করতে মাসিক মোট ন্যূনতম মজুরির (স্মিক) ৪৭ শতাংশের সমপরিমাণ আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে।

বর্তমানে এই শর্ত ৬১৫ ইউরো থাকলেও আগামী ১ আগস্ট থেকে তা বেড়ে হবে ৮৭৭ দশমিক ৫০ ইউরো। ২০০২ সালের পর এই প্রথম ফ্রান্সে এই আর্থিক শর্তের পরিমাণ পরিবর্তন করা হলো।

ডিক্রিতে বলা হয়েছে, এই আর্থিক সীমা স্থায়ী নয়। ভবিষ্যতে স্মিক বা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি পেলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আর্থিক সংস্থানের পরিমাণও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা হবে। বর্তমানে নির্ধারিত ৮৭৭ দশমিক ৫০ ইউরো ডিক্রি প্রকাশের সময়কালে ন্যূনতম মজুরির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফ্রান্সে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বিদেশি নাগরিকদের প্রথমে ‘শিক্ষার্থী’ উল্লেখ থাকা দীর্ঘমেয়াদি ভিসা (ভিএলএস-টিএস) সংগ্রহ করতে হয়। এটিকে অস্থায়ী ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ভিসার মেয়াদ চার মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং এক বছর শেষে নবায়নযোগ্য।

অ-ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ

ফ্রান্সের অ-ইউরোপীয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কঠোর পদক্ষেপ নতুন নয়। এর আগে ফরাসি উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেকটি ডিক্রিতে ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি টিউশন ফি পরিশোধ করতে হবে।

গত ২০ মে ফরাসি উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী ফিলিপ বাতিস্তের ‘চুজ ফ্রান্স ফর হায়ার এডুকেশন’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের দাবি, এর মাধ্যমে ফরাসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক সংকট কমানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন

কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপরে, বাড়ছে পদ্মা-যমুনায়

এছাড়া ২৭ জুন সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আরেকটি ডিক্রিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের এবং সরকারি বৃত্তি না পাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীরা আবাসন সহায়তা (এপিএল) সুবিধা আর পাবেন না।

সরকারের দাবি, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার অর্থায়নে ভারসাম্য আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ফরাসি ডিগ্রির মূল্য আরও বাড়বে এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা বা উচ্চ সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা যাবে। তবে এই সিদ্ধান্তগুলোর প্রতিবাদে গত মে মাসজুড়ে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনফোমাইগ্রেন্টস।

ভোরের আকাশ/এনএস

ফ্রান্সবিদেশি শিক্ষার্থী

শেয়ার করুন: