শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গণভোটে হেরে চাপে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইতালির সাম্প্রতিক বিচার বিভাগীয় গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোট সরকার প্রথম বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। এই পরাজয়ের পর মেলোনির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে ইতালির রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

পরাজয় ও বিরোধীদের চাপ: মেলোনি ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই বর্তমান জোট সরকারের প্রথম উল্লেখযোগ্য পরাজয়। আর এই ফলাফলকে পুঁজি করেই বিরোধী দলগুলো মেলোনিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সেক্রেটারি এলি শ্লিন একে একটি ‘বিকল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতা’র ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

মেলোনির সামনে সম্ভাব্য পথসমূহ 
গণভোটের এই ফলাফলের পর প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সামনে মূলত তিনটি পথ খোলা আছে-

কুইরিনালে সফর ও আস্থা যাচাই: সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাতারেল্লার সঙ্গে দেখা করার। ২০১৬ সালে মাত্তেও রেনজি গণভোটে হেরে পদত্যাগ করেছিলেন, তবে মেলোনির ক্ষেত্রে পদত্যাগের সম্ভাবনা কম। প্রেসিডেন্ট তাকে পার্লামেন্টে পুনরায় ‘আস্থা ভোট’ গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারেন।

আগাম নির্বাচনের চিন্তা: সংবাদমাধ্যম রেপুব্লিকা-র মতে, মেলোনি একটি দুর্বল অবস্থানে থেকে সরকারের শেষ বছর পার করার চেয়ে আগাম নির্বাচনের কথা ভাবছেন। এর মাধ্যমে তিনি অগোছালো অবস্থায় থাকা বিরোধীদের চমকে দিতে চান।

নতুন নির্বাচনি আইন: বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো- নতুন নির্বাচনি আইন। বিশেষ করে দক্ষিণ ইতালিতে বিরোধীদের উত্থান দেখে মেলোনি এমন একটি আইন চাইছেন যেখানে বিজয়ী জোটকে বড় ধরনের ‘মেজোরিটি বোনাস’ দেওয়া হবে।

এদিকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি গণভোটের এই ফলাফলকে সরকারের বিরুদ্ধে জনমতের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করছে।  আর প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির রাজনৈতিক দল ব্রাদার্স অব ইতালি একক আসনের পরিবর্তে জোটভিত্তিক শক্তিশালী বোনাস ব্যবস্থার দাবি তুলছে।

এমতাবস্থায় ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে এখনই নির্বাচনে গিয়ে বিরোধীদের অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন ইতালির প্রথম ও একমাত্র এই নারী প্রধানমন্ত্রী। সূত্র: ভি নিউজ

ভোরের আকাশ/এসএইচ

গণভোটইতালির প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন: