শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৪৩২ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুলাই ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বুশেহর শহরের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ (MQ-9 Reaper) ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বুধবার (৮ জুলাই) আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভূপাতিত ড্রোনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মহবি জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওই ড্রোন ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার পর দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

এমকিউ-৯ রেপার ড্রোনকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধ ড্রোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মূল কাঠামো তৈরির খরচ প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯০ কোটি টাকার সমান।

তবে উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে এর দাম অনেক বেড়ে যায়। মাল্টি-স্পেক্ট্রাল টার্গেটিং সিস্টেম, থার্মাল ক্যামেরা, শক্তিশালী রাডার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হলে একটি পূর্ণাঙ্গ এমকিউ-৯ ড্রোনের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

চীনে বনায়ন প্রকল্পের ৩৩ শ্রমিক মাটিচাপা, ২১ মরদেহ উদ্ধার

বিশেষ ধরনের মিশন, উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি ও অতিরিক্ত সক্ষমতা যুক্ত সংস্করণের ক্ষেত্রে একটি এমকিউ-৯ ড্রোনের দাম ৫০ থেকে ৬৪ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬১৭ থেকে ৭৯১ কোটি টাকা।

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী শুধু ড্রোন নয়, এর সঙ্গে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ সম্পূর্ণ একটি সিস্টেম হিসেবে এগুলো ক্রয় করে। ফলে একটি এমকিউ-৯ ব্যবস্থার পেছনে মোট ব্যয় আরও অনেক বেশি হয়ে থাকে। সূত্র: আল-জাজিরা

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: