শিরোনাম
চার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে নেতানিয়াহু
হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে নেতানিয়াহু

দখলদার ইসরায়েল সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত ২০ দফার প্রস্তাবটি ইসরায়েলে গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু — এখন এই প্রস্তাবকে চূড়ান্ত করতে হামাসের আনুষ্ঠানিক সম্মতি অপেক্ষা করা হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, যদি হামাস সম্মতিপত্রে সই করে, তাহলে ৭২ ঘণ্টার ভেতরে সব বন্দি — জীবিত ও মৃত—উভয়ই মুক্তি পাবে। একই চুক্তিতে বলা আছে যে গাজার ওপর স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক অন্য কোনো দেশে পাঠানো হবে না — তাঁরা গাজাতেই থাকবেন।

চুক্তির একটি বড় দফা হলো হামাস যে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ করে আছে, সেটি ছেড়ে দিয়ে সেখানে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ওই প্রশাসনে আমেরিকা, ইউরোপ ও আরব দেশগুলোর অংশগ্রহণ নির্ধারিত থাকবে এবং আদর্শভাবে এর লক্ষ্য থাকবে গাজায় স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনা; ট্রাম্পকে এই অস্থায়ী পরিচালনার মূল ভূমিকা থাকতে চাওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, চুক্তির অংশ হিসেবে গাজা ও হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করা হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় আরব দেশগুলোর সহযোগিতাও নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, হামাসকে নিস্তেজ করতে না পারলে ইসরায়েলকেই এটি শেষ পর্যায়ে করতে হবে — যা করলে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পৃষ্ঠপোষকতা করবে। ট্রাম্প এক কথায় বলেছেন, হামাস যদি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বা সম্মতি দিয়ে পরে তা থেকে সরে আসে, তাহলে পুনর্গঠন/পুনরায় সশস্ত্রীকরণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, হামাসকে নির্মূল করা হবে — “সহজ উপায়” বা “কঠিন উপায়” দু’টির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করা যেতে পারে, তবে সহজ উপায়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সময় তিনি আটটি মুসলিম দেশের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন বলে জানা গেছে; ওই বৈঠক থেকেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সূত্রপাত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

এখন পরিস্থিতি শনাক্ত করছে: ইসরায়েলের সম্মতি পাওয়ার পর গোল এখন হামাসের কাঁধে — তারা প্রস্তাবে সই করলে গাজায় অবিলম্বে শান্তির আশায় মানুষ বাড়তি আশা দেখছেন; আর যদি না করে, তাহলে ভবিষ্যৎ কর্মধারা কেমন হবে তা নিয়ে পরীক্ষার সময় শুরু হবে।

ভোরের আকাশ//হ.র

গাজা যুদ্ধহামাস ইসরায়েল যুদ্ধ

শেয়ার করুন: