শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ছয় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। সোমবার সংস্থাটির বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এ পরিস্থিতিতে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে তেহরান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে সূচিত হওয়া বিক্ষোভ অল্প সময়ের মধ্যেই ইসলামী প্রজাতন্ত্রবিরোধী বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয়। বিশেষ করে ৮ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী কয়েক দিনে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলেছে, ইন্টারনেট বন্ধ রেখে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালিয়ে নজিরবিহীন দমন অভিযান পরিচালনা করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভের সময় শুরু হওয়া ইন্টারনেট শাটডাউন এখন পর্যন্ত চলছে। টানা ১৮ দিন ধরে দেশটির ইন্টারনেটবিহীন অবস্থায় থাকার ঘটনাকে নজিরবিহীন বলছেন অনেকে।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসা ধর্মীয় নেতৃত্ব বিক্ষোভ দমনের পর এখনো টিকে আছে। দেশটির ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর বিরোধিতাকারী অনেকে পরিবর্তনের সবচেয়ে সম্ভাব্য পথ হিসেবে এখনও বাইরের হস্তক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেও পরে জোর দিয়ে বলেছেন, সেটি এখনো একটি বিকল্প।

গত সপ্তাহে তিনি বলেন, প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলে একটি বিশাল নৌবহর পাঠাচ্ছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে পুরোপুরি ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

দমন-পীড়নে হতাহতের হিসাব রাখা বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা বলেছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তাদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া পরিসংখ্যান প্রকৃত হতাহতের তুলনায় অনেক কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এইচআরএএনএ বলেছে, তারা ৫ হাজার ৮৪৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে; তাদের মধ্যে ২০৯ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এছাড়া আরও ১৭ হাজার ৯১ জনের সম্ভাব্য মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এইচআরএএনএর হিসাব অনুযায়ী, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ইরানে অন্তত ৪১ হাজার ২৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভে হতাহতের প্রথম সরকারি হিসাব প্রকাশ করে ইরানি কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে বলেছিল, ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অথবা ‌‌দাঙ্গাবাজদের হাতে নিহত নিরীহ পথচারী।

নেটব্লকস বলেছে, ইরানে এখনও ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট রয়েছে। এই শাটডাউন বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে চালানো প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের প্রকৃত চিত্রকে আড়াল করে রাখছে।

গত সপ্তাহে ইরানের বাইরে অবস্থিত ফার্সি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনাল বলেছিল, ৮ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ৩৬ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ইরানি নিহত হয়েছেন। নথি ও সূত্রের উল্লেখ করে ওই দাবি জানায় ইরান ইন্টারন্যাশনাল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের এই প্রতিবেদন যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে এএফপি।

সূত্র: এএফপি।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

ইরানআন্দোলনবিক্ষোভ

শেয়ার করুন: