শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানসহ প্রতিবেশীদের সঙ্গে জোট করতে চায় সৌদি, চুক্তিতে কী রয়েছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে একটি আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। যেখানে বেশিরভাগ আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানও থাকবে বলে জানা গেছে।

তবে চলমান এই উত্তেজণার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ওই চুক্তি সমর্থন করবে কি না, তা অনিশ্চিত।

দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের বরাতে এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই বলছে, সৌদি আরবের এ উদ্যোগ ইউরোপের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থন পেয়েছে। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবকে সমর্থন করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সৌদি আরব তাদের প্রস্তাবিত কাঠামো ১৯৭৫ সালের ‘হেলসিঙ্কি অ্যাকর্ডস’-এর আদলে তৈরি করছে।

ওই চুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্ররা, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলো স্বাক্ষর করেছিল। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের সীমান্তগুলোকে যৌথভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। পাশাপাশি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো মানবাধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও মানবিক বিষয়ে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

প্রতিবেদনে এক আরব কূটনীতিক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অনুরূপ একটি চুক্তিকে ‘বেশিরভাগ আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানও’ স্বাগত জানাবে।

ইরান ইতোমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে আরব দেশগুলো ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উদ্দেশ্যে যেকোনও চুক্তির বিরোধিতা করতে পারে ইসরায়েল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এ উদ্যোগকে সমর্থন করবে কি না, তাও অনিশ্চিত।

এছাড়াও হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো এই চুক্তিতে কীভাবে বিবেচিত হবে, তা-ও পরিষ্কার নয়। তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চায় এবং জাহাজ চলাচলের জন্য নিজস্ব নিয়ম ও টোল ব্যবস্থা চালু করেছে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রকে ফের ঘাঁটি দিলে বাহরাইনের পরিণতি হবে ভয়াবহ : মোত্তাকি

যেখানে সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ ইরানের ওপর হামলা চালানোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে তদবির করেছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, যুদ্ধে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত করলেও তারা আরও সাহসী হয়ে উঠবে। আর ইরানের বর্তমান সরকার ব্যবস্থাও বহাল থাকবে।

তবে আদতে সিআইএর একটি প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, বাস্তবে ঠিক সেটাই ঘটেছে। গোয়েন্দা নথিতে বলা হয়েছে, ইরান এখনও যুদ্ধ-পূর্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের বেশিরভাগই ধরে রেখেছে এবং দেশটির সরকার পতনের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

ভোরের আকাশ/এনএস

জোটপ্রতিবেশীইরানসৌদি আরব

শেয়ার করুন: