এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প

জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক ‘অপ্রত্যাশিত’ সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুজনের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের যেকোনও দাবি ‘এখনই শেষ হওয়া দরকার’। এ সময় তিনি এপস্টাইনের যৌন পাচারের শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য কংগ্রেসে শুনানির আহ্বান জানান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
এপস্টাইনই তাকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন— অনলাইনে প্রচারিত এই গুজবও অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার সুনাম নষ্ট করার হীন প্রচেষ্টা চলছে।
সম্প্রতি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জেফরি এপস্টাইনের সম্পর্কের কথা গণমাধ্যমে আসার খবরের পরিপ্রেক্ষিতে ফার্স্ট লেডি আকস্মিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বলে জানা গেছে। তবে, তার কার্যালয় থেকে এমন কোনও পূর্বলক্ষণ পাওয়া যায়নি যে তিনি এপস্টাইন সম্পর্কে কোনও বক্তব্য দেবেন; এমনকি হোয়াইট হাউস থেকেও বিষয়টি আগেভাগে জানানো হয়নি।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম এমএস নাউকে জানান, তার স্ত্রীর এই বিবৃতির বিষয়ে তিনি আগে থেকে জানতেন না।
নিউইয়র্ক টাইমস মেলানিয়া ট্রাম্পের একজন মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ফার্স্ট লেডি একটি বিবৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট অবগত ছিলেন, তবে মেলানিয়া ট্রাম্পের বক্তব্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি জানতেন কি না, তা অস্পষ্ট বলে পরবর্তী সময়ে জানানো হয়।
মেলানিয়া ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের ফলে এপস্টাইনের দ্বারা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। লিসা ফিলিপস নামে ভুক্তভোগীদের একজন ফার্স্ট লেডির এই বিবৃতিকে ‘সাহসী পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে এপস্টাইনের অভিযোগকারীদের সমর্থনে ফার্স্ট লেডি আর কী করতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
মেলানিয়া ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তিনি এপস্টাইনের শিকার হননি, তার সঙ্গে ২০০০ সালে কেবল অল্প সময়ের জন্য দেখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, এপস্টাইনের শিশু নির্যাতন সম্পর্কে তার কোনোকিছু জানা ছিল না। এমনকি তিনি এপস্টাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে চেনার কথাও অস্বীকার করেন।
ভোরের আকাশ/এনএস