শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যুদ্ধজাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে জলমাইন অপসারণে নতুন প্রযুক্তির যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’ (LCS) নামে পরিচিত এই আধুনিক জাহাজ ব্যবহারের তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

সাধারণত মার্কিন নৌবাহিনী মাইন অপসারণের জন্য মানবচালিত মাইন-সুইপিং জাহাজ ব্যবহার করে। এসব জাহাজে থাকা সোনার প্রযুক্তির মাধ্যমে পানির নিচে থাকা মাইন শনাক্ত করে পরে তা ধ্বংস করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় জাহাজের ক্রুদের সরাসরি মাইনফিল্ডে প্রবেশ করতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

নতুন ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’-এ সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে। এটি তুলনামূলক হালকা এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর একটি যুদ্ধজাহাজ, যেখানে রিমোট-কন্ট্রোলড রোবট ব্যবহার করে মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। ফলে নৌসেনাদের সরাসরি বিপজ্জনক এলাকায় যেতে হয় না; তারা দূর থেকেই পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে এ ধরনের তিনটি জাহাজ থাকলেও কার্যক্রমে আছে একটি। বাকি দুটি মেরামতের জন্য সিঙ্গাপুরে রয়েছে এবং শিগগিরই সেগুলোও পুনরায় যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ওই সময় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) প্রণালির বিভিন্ন স্থানে জলমাইন স্থাপন করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেগুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থানের তথ্য সংরক্ষণ না থাকায় মাইন অপসারণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে কোনো ধরনের অবরোধ বা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে তা বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

ইরানের অবরোধের কারণে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মাইন অপসারণ

শেয়ার করুন: