মার্কিন ঘাঁটিতে অভিযানে যাওয়া পাইলটের মরদেহ ফিরছে তেহরানে

কাতারের রাজধানী দোহার আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে অভিযানের সময় নিহত ইরানি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বুধবার (২৯ জুলাই) মরদেহটি ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহটি দেশে নেওয়ার আগে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
চলতি বছরের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। অধিকাংশ হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হলেও একটি অভিযানে প্রায় ৩৫ বছর পুরোনো দুটি সুখোই-২৪ যুদ্ধবিমান দিয়ে কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করা হয়।
ইরানি সূত্রের দাবি, ওই অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি যুদ্ধবিমানই কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে পড়ে এবং ভূপাতিত হয়। নিহত পাইলটদের একজন ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমি।
ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, অভিযানের সময় আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে এ দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো সুখোই-২৪ যুদ্ধবিমান নিয়ে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসমৃদ্ধ একটি সামরিক ঘাঁটিতে অভিযান চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবুও ইরানি পাইলটরা ওই অভিযানে অংশ নেন।
সংঘাত চলাকালে আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সেখানে অবস্থানরত কিছু মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম নিরাপত্তার স্বার্থে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়। সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
ভোরের আকাশ/সু.পা