শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার, জমি সরবরাহে বাধা দিচ্ছে মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার, জমি সরবরাহে বাধা দিচ্ছে মমতা
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার, জমি সরবরাহে বাধা দিচ্ছে মমতা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি সরবরাহে ইচ্ছাকৃতভাবে সহযোগিতা করছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার, যার নেতৃত্বে মমতা ব্যানার্জী রয়েছেন। 

রোববার (১৮ জানুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় এই অভিযোগ করেন মোদী।

২০০৬ সালের কৃষক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মমতা ব্যানার্জীর রাজনৈতিক উত্থানের জন্য পরিচিত সিঙ্গুরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মোদী বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগকে রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি না দিয়ে রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে কেন্দ্রকে বাধা দিচ্ছে। তার দাবি, এর পেছনে উদ্দেশ্য হলো প্রতিবেশী দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের অবাধে রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া এবং তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের স্থায়ী ভোটব্যাংকে পরিণত করা।

সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, বিজেপি যদি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসে, তাহলে রাজ্যে ‘এক জেলা, এক পণ্য’ (ওডিওপি) নীতি চালু করা হবে, যাতে প্রতিটি জেলার নিজস্ব পণ্যের প্রচার ও উন্নয়ন করা যায়।

মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলার নিজস্ব বিশেষত্ব রয়েছে। এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে বুদ্ধিমত্তা, প্রতিভা ও সক্ষমতা আছে। বিজেপি প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরি করবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গে ওডিওপি নীতি চালু করা হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, তার ও বিজেপির সঙ্গে ‘হিসাব মেটাতে’ গিয়ে মমতা রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছেন। মোদীর ভাষায়,আমার বা বিজেপির প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের অনীহা আমি বুঝতে পারি। কিন্তু কেন্দ্রীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা দিয়ে তারা আসলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকেই ভোগান্তিতে ফেলছে।

প্রধানমন্ত্রী উদাহরণ হিসেবে ‘মৎস্যজীবী যোজনা’র কথা উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এই প্রকল্পে জেলেদের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সহযোগিতা করছে না।

মোদী বলেন, অন্যান্য রাজ্যে জেলেদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা আটকে রাখা হয়েছে। আমি বারবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে চিঠি লিখি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী আমার চিঠি পড়েন না। অন্তত তার কর্মকর্তারা যেন চিঠিগুলো পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এখানে মৎস্যজীবী যোজনায় জেলেদের নিবন্ধনে সাহায্য তো করছেই না, বরং তারা রাজ্যের জেলেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে।

এছাড়া মোদী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ‘মাফিয়া রাজ’ চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিই রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ টানতে পারে। কিন্তু বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এমন এক ‘মাফিয়া রাজ’ চলছে, যেখানে সব কিছুর ওপর সিন্ডিকেট ট্যাক্স বসানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিজেপি এই সিন্ডিকেট ট্যাক্সের অবসান ঘটাবে। এটাই মোদীর গ্যারান্টি। মোদীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে রাজ্যের মানুষ পাবে দুর্নীতিমুক্ত ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ, যেখানে নারীদের নিরাপত্তাই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

শেয়ার করুন: