শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্ত্রীকে ডিভোর্স: ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কওন হিয়ক-বিন
কওন হিয়ক-বিন

দক্ষিণ কোরিয়ার গেমিং জায়ান্ট ‘স্মাইলগেট’-এর প্রতিষ্ঠাতা কওন হিয়ক-বিনকে সিউলের একটি আদালত তার সাবেক স্ত্রীকে সম্পত্তির অংশ হিসেবে ২.৫৫ ট্রিলিয়ন ওন (প্রায় ১.৮৭ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা) দেওয়ার নির্দেশ দেন। এটিই দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ডিভোর্স সেটেলমেন্টের রেকর্ড গড়েছে।

ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩০০ কোটি ডলারের সম্পত্তির মালিক কওন হিয়ক-বিন দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী। তিনি দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম ভিডিও গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্মাইলগেটের প্রতিষ্ঠাতা।

আইনি প্রক্রিয়ার আগে স্মাইলগেটের শতভাগ একক মালিকানা কওনের হাতেই পুঞ্জীভূত ছিল। আদালত রায়ে কোম্পানিটির প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ওন মূল্যের ৩৫ শতাংশ শেয়ার সাবেক স্ত্রী লির নামে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন, যার সঙ্গে বাড়তি হিসেবে যুক্ত হয়েছে ৬৫ বিলিয়ন ওনের নগদ অর্থ।

এর আগে দেশটির প্রযুক্তি খাতের আরেক শীর্ষ ব্যবসায়ী, এসকে গ্রুপের চেয়ারম্যান চে তায়ে-ওনকে তার সাবেক স্ত্রীকে ৯৪৪ বিলিয়ন ওন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে এটিই ছিল দেশের সবচেয়ে বড় ডিভোর্স সেটেলমেন্ট। কিন্তু স্মাইলগেট প্রতিষ্ঠাতার এই রায় আগের রেকর্ডকে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবধানে ছাড়িয়ে গেল।

বিচ্ছেদ আবেদনের সময় লি হোয়া-জিন মূল কোম্পানির ৫০ শতাংশ মালিকানা দাবি করেছিলেন। আদালতে লির আইনজীবীরা জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে জানান, ২০০২ সালে স্মাইলগেট প্রতিষ্ঠার সময় লি সরাসরি অর্থায়ন ও প্রাথমিক সহায়তা প্রদান করেছিলেন।

কওন ও লি ২০০১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এর পরের বছরই কওন স্মাইলগেট গড়ে তোলেন। এই গেমিং কোম্পানির বিশ্বজুড়ে সাড়াজাগানো কাজের মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ফার্স্ট-পার্সন শুটার গেম ‘ক্রসফায়ার’ এবং অ্যাকশন রোল-প্লেয়িং গেম ‘লস্ট আর্ক’।

আদালতে লি উল্লেখ করেন, ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এক হাতে তাদের সন্তানদের লালন-পালন ও সংসারের পুরো দায়িত্ব সুচারুভাবে সামলেছেন।

অন্যদিকে লির সমস্ত দাবি অস্বীকার করে কওন জানান, কোম্পানিতে লির কোনো অর্থ বিনিয়োগ ছিল না এবং তিনি সেখানে কাজও করেননি। চলতি বছরের শুরুতে স্মাইলগেটের পক্ষ থেকেও এক বিবৃতিতে বলা হয়, কোম্পানির প্রতিষ্ঠাকালীন সমুদয় মূলধন কওন একাই জুগিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন

জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ ইসরায়েলের

অনাকাঙ্ক্ষিত এই আইনি জটিলতার মধ্যে কোম্পানির প্রধান শেয়ারহোল্ডারের কোনো ‘ব্যক্তিগত বিষয়ে মন্তব্য করতে’ রাজি হননি স্মাইলগেটের মুখপাত্র। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য চোসুন ডেইলি-তে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, ‘আমরা বরাবরের মতো আমাদের পেশাগত দায়িত্ব বিশ্বস্ততার সাথে পালন করে যাব।’

আদালতের দেওয়া এই রায়ের বিরুদ্ধে উভয় পক্ষই অবশ্য উচ্চ আদালতে আপিল করার আইনি সুযোগ পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে এসকে গ্রুপের চেয়ারম্যান চে তায়ে-ওনকে ৯৪৪ বিলিয়ন ওন দেওয়ার রায় দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা সুপ্রিম কোর্টে বাতিল হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেন যে, দম্পতির যৌথ সম্পদ হিসাব করার সময় ভুলক্রমে তা বাস্তব মূল্যের চেয়ে বেশি দেখানো হয়েছিল। ফলে মামলাটি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠায় সর্বোচ্চ আদালত।

শেয়ার করুন: