শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নেপাল-তিব্বতে বন্যায় নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০, নিখোঁজ ৩ হাজারের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলা এবং সীমান্তের অপর পাশে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গিরং জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯৪ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে ৭৭৮ জন নেপালের এবং বাকি ১৬ জন তিব্বতের।

এ ঘটনায় নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮ জনে। তাদের মধ্যে নেপালের ২ হাজার ৫০২ জন এবং তিব্বতের ৫৪৬ জন রয়েছেন। পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে কিংবা বানের সঙ্গে আসা কাদা, পাথর ও জঞ্জালের নিচে চাপা পড়ে তারা নিখোঁজ হয়েছেন।

নেপালি ও তিব্বতি নাগরিকদের পাশাপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ৩৫টি দেশের প্রায় ৮০০ বিদেশি নাগরিকও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোতেকোশি ও এর শাখানদী লেহন্দে নদীর একটি ব্যারিয়ার লেক ভেঙে পড়ায় নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলা এবং সীমান্তের অপর পাশে তিব্বতের গিরং জেলায় এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

ব্যারিয়ার লেক হলো তুষার, পাথর বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বাধার কারণে নদীর পানিপ্রবাহ আটকে গিয়ে তৈরি হওয়া জলাধার। লেকটি ভেঙে যাওয়ার পর লাখ লাখ ঘনমিটার পানি এবং এর সঙ্গে আসা টন টন কাদা, পাথর ও জঞ্জালে দুই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা ঢেকে যায়।

আকস্মিক বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের রাসুয়া জেলা। এর পাশাপাশি সংলগ্ন নুয়াকোট, ধাদিং ও চিতওয়ান জেলাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পর নেপাল ও তিব্বতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়া এবং দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধারকাজ পরিচালনার চ্যালেঞ্জের কারণে বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এই কার্যক্রম।

আরও পড়ুন

লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা

নেপালের এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার, মরদেহের সন্ধান এবং ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ১৫টি হেলিকপ্টার ট্রিপ পরিচালিত হচ্ছে। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৫০০টি উদ্ধারকারী ট্রিপ পরিচালনা করছে নেপালের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এদিকে চীন জানিয়েছে, ভোতেকোশি নদীতে আরও একটি ব্যারিয়ার লেক তৈরি হয়েছে এবং যেকোনো সময় সেটিও ভেঙে পড়তে পারে। এ বিষয়ে উদ্ধারকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নেপাল সরকার। সূত্র : সিবিএস

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: