শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে রোনালদো!

জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে এবার নিজেই নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।
তাঁর শাস্তির মেয়াদ এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও জানা যায়নি।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বিরতির পর মাঠে নামার প্রত্যাশা থাকলেও পুরো সময় বেঞ্চে বসে থাকতে হয় রোনালদোকে। এরপর ডেনমার্কের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না জানতে পেরে ম্যাচের এক দিন আগে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যান পর্তুগিজ অধিনায়ক। কোচের সঙ্গে মতবিরোধ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে ঘটনাটি নিয়ে দীর্ঘ বিবৃতি দেন রোনালদো। সেখানে কোচের বিরুদ্ধে দুইবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে হঠাৎ ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার জন্য পর্তুগিজ সমর্থক ও সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চান।
তবে বিবৃতিতে অবসরের কোনো ইঙ্গিত দেননি রোনালদো। বরং শারীরিকভাবে ফিট থাকলে এবং ক্লাবের হয়ে নিয়মিত গোল করতে পারলে জাতীয় দলের হয়ে আরও খেলতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজের শাস্তির প্রসঙ্গে রোনালদো বলেন, ‘একটি বা আরও কিছু বিদায়ী ম্যাচ। আমি যদি শারীরিকভাবে ফিট থাকি, ক্লাবের হয়ে খেলি, গোলও করতে থাকি, তাহলে আমাকে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা শেষে আমি আমাদের জাতীয় দলের জন্য লড়াই করার ও জেতার জন্য তৈরি থাকব। বিশ্বাস করুন, এটাই নিখাদ সত্য।’
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় রোনালদোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। শৃঙ্খলা পরিষদের পর্যালোচনার ভিত্তিতে শাস্তির মেয়াদ এক থেকে ছয় মাস হতে পারে।
তবে নিষেধাজ্ঞার চূড়ান্ত মেয়াদ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে রোনালদো কত দিন জাতীয় দলের বাইরে থাকতে পারেন, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর।
ভোরের আকাশ/সু.পা