আবুধাবিতে প্রথম উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজে আফগানিস্তান

আবুধাবি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে আফগানিস্তানের ওপেনার সেদিকউল্লাহ অটল নতুন জীবন পেয়েও বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
এতে ৩০ রানেই প্রথম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এর আগে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশের রিভিউ না নেওয়ার কারণে বেঁচে গিয়েছিলেন এই ওপেনার।
ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পাওয়া সেদিকউল্লাহ ৩১ বলে ১৭ রান করে বিদায় নেন। তাঁর আউটের ২.৪ ওভার পর শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে ১৩ ওভার শেষে এক উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৪ রান। অপর ওপেনার আবদুল মালিক ১৫ ও শহিদুল্লাহ কামাল ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
শনিবার আবুধাবি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দুই দল মিলিয়ে ২১.২ ওভার খেলা শেষে তিন উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান তুলেছে। দিনের শুরুতে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে নাঈম হাসানের অপরাজিত ৩৫ রানের ইনিংসের পরও বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি দলটি। দ্বিতীয় দিনে মাত্র ২৯ রান যোগ করতেই ৩৪৬ রানে অলআউট হয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংসের শুরু থেকেই চাপ তৈরির চেষ্টা করেন হাসান মাহমুদ। ডানহাতি এই পেসার ৭ ওভার বল করে ১১ রান দিয়ে সেদিকউল্লাহর উইকেট তুলে নেন।
এর আগে হাসানের বলে সেদিকউল্লাহর ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়া বলটি উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে জমা পড়ে। বাংলাদেশের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দেওয়ায় অধিনায়ক শান্ত রিভিউ নেন। তবে রিপ্লেতে স্পাইক ধরা না পড়ায় রিভিউ হারায় বাংলাদেশ। পরে আরেকটি সম্ভাব্য আউটের ক্ষেত্রেও শান্ত রিভিউ নেননি। রিপ্লেতে অবশ্য বল ব্যাটে লাগার স্পাইক দেখা যায়।
অন্য ওপেনার আবদুল মালিকও শুরুতে দুবার জীবন পান। তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে বল প্রথমে দুই স্লিপারের মাঝ দিয়ে চলে যায়। পরে আরেকটি ক্যাচ উঠলেও তানজিদ হাসান তামিমের হাতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বল মাটি স্পর্শ করে। ফলে শুরুতে সুযোগ পেয়েও আফগান ওপেনারদের দ্রুত ফেরাতে পারেনি বাংলাদেশ।
ভোরের আকাশ/সু.পা