শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচ ফ্রি দেখতে পাবেন মেক্সিকোর ১৪ হাজার দর্শক

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুন ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে যখন টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে সমালোচনা চলছে, তখন মেক্সিকোর প্রায় ১৪ হাজার দর্শক একেবারে বিনামূল্যে উদ্বোধনী ম্যাচ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালতের রায়ে তারা নিজেদের ঐতিহাসিক অধিকার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

আগামী ১২ জুন বিশ্ব ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ভেন্যু অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে আসন্ন বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে। এই স্টেডিয়ামই প্রথম ভেন্যু হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ আয়োজনের ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। উদ্বোধনী ম্যাচে প্রায় ১৪ হাজার দর্শক বিনামূল্যে খেলা উপভোগ করবেন।

এই গল্পের শুরু প্রায় ৬০ বছর আগে। ১৯৬০-এর দশকে স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় অর্থসংকটে পড়ে কর্তৃপক্ষ। তখন ৬০০টি বক্স ও প্রায় ৮ হাজার গ্যালারি আসন আগাম বিক্রি করা হয়। ক্রেতাদের দেওয়া হয় বিশেষ সুবিধা—২০৬৫ সাল পর্যন্ত স্টেডিয়ামে আয়োজিত যেকোনো ইভেন্ট তারা অতিরিক্ত টিকিট ছাড়াই দেখতে পারবেন।

ফলে বিশ্বকাপ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কনসার্ট কিংবা অন্যান্য আয়োজন—সব ক্ষেত্রেই এই আসনগুলোর মালিকদের প্রবেশাধিকার বহাল থাকে। বর্তমানে এই সুবিধাভোগীদের মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার।

এর আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ফিফা এই আসনগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। তবে সফল হয়নি। সেই বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ ম্যাচও তারা বিনামূল্যে উপভোগ করেছিলেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে আবারও বিরোধ তৈরি হয়। ফিফা ও স্টেডিয়াম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ওই ১৪ হাজার আসনকে টিকিট বিক্রির আওতায় আনতে চেয়েছিল। এর বিরুদ্ধে মামলা করে আসন মালিকদের সংগঠন। শেষ পর্যন্ত আদালত তাদের পক্ষেই রায় দেয়।

সংগঠনের মহাসচিব রবার্তো রুয়ানো ওর্তেগা বলেছেন, “আমাদের অধিকার আদালত স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে আমাদের কোনো অর্থ দিতে হবে না।” মেক্সিকান গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসনগুলো ফিফার নিয়ন্ত্রণে না আসায় স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষকে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে।

আরও পড়ুন

জিদানের ছেলেকে নিয়ে আলজেরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

তবে বিরোধ পুরোপুরি শেষ হয়নি। বিশ্বকাপের এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত ওই দর্শকদের ইলেকট্রনিক টিকিট হাতে পৌঁছায়নি। এ নিয়ে রুয়ানো সতর্ক করে বলেছেন, “যদি আমাদের প্রবেশ করতে না দেওয়া হয়, আমরা আবার আদালতের শরণাপন্ন হব। প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি নিয়ে বলপ্রয়োগের ব্যবস্থাও চাইব।”

সব নাটকীয়তার মধ্যেও তাদের বিশ্বাস, উদ্বোধনী ম্যাচে ১৪ হাজার আসনের মালিকরা শেষ পর্যন্ত স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরের উদ্বোধনী ম্যাচটি বিনামূল্যে উপভোগ করবেন।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ফিফা বিশ্বকাপ

শেয়ার করুন: