আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ক্লাবের নতুন সভাপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নির্বাচনে লাপোর্তা নিজেই আবারো সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এবার লড়ছেন ভিক্টর ফন্ট।
বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে সাবেক ফুটবলারদের ভূমিকা বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যেই ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত এই নির্বাচনে নীরব রয়েছেন। যদিও লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক তেমন ভালো নয়, যা ভিক্টর ফন্টকে সমর্থন করার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান বার্সেলোনা নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন না কিংবা কোনোভাবেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবেন না। খবর ইয়াহু স্পোর্টসের।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি কোনো প্রার্থীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ করবেন না। এমনকি ভিক্টর ফন্টের সঙ্গেও নয়। যদিও ফন্ট প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, নির্বাচনে জিতলে প্রথম কাজ হিসেবেই মেসিকে ফোন করবেন।
প্রতিবেদনে আরও নিশ্চিত করা হয়েছে, জোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন। তবুও এ নির্বাচনে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেননি আর্জেন্টাইন তারকা। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর তুলনায় এটি একটি বড় পরিবর্তন। কারণ অতীতে মেসি নিয়মিতভাবে বার্সেলোনার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন এবং ভোট দিয়েছেন।
বর্তমানে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা মেসি কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ করেও মন্তব্য করতে চান না। কারণ তিনি জানেন, তার সামান্য ইঙ্গিতও নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এই নির্বাচনে মেসির অংশ না নেওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ব্যস্ত জীবন। ইন্টার মায়ামির হয়ে সক্রিয় ফুটবল ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়ার কারণে এবার বার্সেলোনার রাজনীতির বাইরে থাকছেন তিনি। তবে পরবর্তী নির্বাচনে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভোরের আকাশ/এনএস