তাসকিন–মুস্তাফিজে চাপে অস্ট্রেলিয়া, ২ ওভারে ২ উইকেট পতন

মিরপুরে ওয়ানডে ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে ২৮৪ রানের পুঁজি এনে দেন মোসাদ্দেক হোসেন। ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ, ফলে ম্যাচে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে টাইগাররা।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের প্রথম বলেই ব্রেকথ্র এনে দেন তাসকিন আহমেদ। তার নিচু হয়ে আসা ডেলিভারিতে বোল্ড হন ম্যাথু শট। পরের ওভারে আরও বড় ধাক্কা দেন মুস্তাফিজুর রহমান, মার্নাস ল্যাবুশেনকে ফেরান তিনি। মাত্র ২ ওভার শেষে ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। জয়ের জন্য তাদের তখন প্রয়োজন ছিল ২৮২ রান।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংস শুরুটা ভালো হয়নি। ওপেনার সাইফ হাসান মাত্র ৫ রান করে আউট হন। তবে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি। তামিম ৫৪ রানে আউট হলেও শান্ত লড়াই চালিয়ে যান।
চারে নেমে লিটন দাস বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। মাত্র ৭ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তবে এর মধ্যেই শান্ত তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটি। পরে ৬৭ রান করে তিনি আউট হন।
এরপর দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই পরিস্থিতিতে ইনিংস পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন এবং হৃদয়ের সঙ্গে গড়েন ৭৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
হৃদয় ৩১ রান করতে ৫১ বল খেললেও অপর প্রান্তে রান তোলার গতি বাড়ান মোসাদ্দেক। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই করেন তিনি। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি তুলে শেষ পর্যন্ত ৭০ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৫২ রান।
শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ১৬ বলে ২০ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। টপ ও লোয়ার অর্ডারের অবদানে বাংলাদেশ ইনিংস শেষ করে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন নাথান এলিস। ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট নেন ২টি করে উইকেট, আর ব্রাটলেট নেন ১টি উইকেট।
ভোরের আকাশ/সু.পা