মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ারসেরা ৮৬, অস্ট্রেলিয়ার টার্গে ট ২৮৪ রান

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটাকে স্মরণীয় করে রাখলেন। দলের বিপদের মুহূর্তে ব্যাট করতে নেমে খেললেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। তার ব্যাটে ভর করে লড়াকু স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ দল। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ২৮৪ রান।
মিরপুরে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ওপেনার সাইফ হাসান ফেরেন মাত্র ৫ রান করে। তবে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন গড়েন ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি। তামিম ৫৪ রানে আউট হলেও লড়াই চালিয়ে যান শান্ত।
চারে নেমে লিটনের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার সুযোগ থাকলেও তা হয়নি। মাত্র ৭ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস। তবে এর মধ্যেই ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটি তুলে নেন শান্ত। পরে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর আচমকা চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই পরিস্থিতিতে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন এবং হৃদয়ের সঙ্গে গড়েন ৭৫ রানের জুটি।
তাওহীদ হৃদয় ৫১ বলে ৩১ রান করে ধীরগতির ইনিংস খেললেও অপর প্রান্তে রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন মোসাদ্দেক। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই করেন তিনি।
ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি তুলে মোসাদ্দেক শেষ পর্যন্ত ৭০ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ৫২ রান।
শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ১৬ বলে ২০ রান করে কিছুটা সহায়তা করেন। টপ ও লোয়ার অর্ডারের অবদানে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৮৪ রানে ইনিংস শেষ করে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন নাথান এলিস। ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট নেন ২টি করে উইকেট, আর ব্রাটলেট নেন ১টি।
ভোরের আকাশ/সু.পা