উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
২০ বছর পর ফাইনালে আর্সেনাল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বুকায়ো সাকার একমাত্র গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মিকেল আর্তেতার দল।
মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে দারুণ উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে এই জয় উদযাপন করে লন্ডনের ক্লাবটি। প্রথম লেগে মাদ্রিদে ১-১ ড্র করার পর ঘরের মাঠে জয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল, যেখানে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ হবে পিএসজি অথবা বায়ার্ন মিউনিখ। এর আগে অবশ্য প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয়ের সুযোগও রয়েছে তাদের সামনে, যা ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারে।
ম্যাচের শুরুতে কিছুটা চাপে ছিল আর্সেনাল। অ্যাটলেটিকোর জুলিয়ান আলভারেজ ও সিমিওনে সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, ৪৪ মিনিটে, লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের শট থেকে ফিরতি বলে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সাকা।
চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি আর্সেনালের নবম ‘ক্লিন শিট’। সাকার গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও আর্সেনালের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক ডেভিড রায়া দৃঢ়তার সঙ্গে তা প্রতিহত করেন।
এই জয়ের মাধ্যমে আর্সেনাল স্পর্শ করেছে ১৯৭১ সালের একটি ঐতিহাসিক রেকর্ড—এক মৌসুমে ৪১টি জয়। কোচ আর্তেতা জানিয়েছেন, এমিরেটস স্টেডিয়ামের এমন পরিবেশ তিনি আগে কখনও দেখেননি।
২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল আর্সেনাল। এবার তাদের লক্ষ্য সেই অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করা। পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগেও শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে আছে তারা। বাকি তিন ম্যাচে জয় পেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ২০০৪ সালের ‘ইনভিন্সিবলস’ দলের সাফল্যকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
ভোরের আকাশ/সু.পা