গোলবন্যা আর উইকেটের তাণ্ডবে আলোচনায় দুই খুদে তারকা

নওগাঁর আনিতা বাসকে ও বাগেরহাটের আলী মাহমুদ নোবেল ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’- দুই খুদে ক্রীড়াবিদ ফুটবল ও ক্রিকেটে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে। নিজ নিজ জেলাকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছে আনিতার গোলের বন্যা ও নোবেলের বিধ্বংসী বোলিং। জানা গেছে, নওগাঁর পোরশা উপজেলাকে ফাইনালে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বালিকাদের ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ধামইরহাট উপজেলা। এদিকে, ক্রিকেটের মাঠে বল হাতে ঝড় তুলেছেন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার আলী মাহমুদ নোবেল।
ধামইরহাট সুফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আনিতা বাসকে। ফাইনালে একাই চার গোল করার পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে তার পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো; চার ম্যাচে মোট ১২টি গোল করে নিজের জাত চিনিয়েছেন এই স্ট্রাইকার। কৃষক বাবা অনিল বাসকে এবং মা লক্ষ্মী মুরুমুর কন্যা আনিতার এই নৈপুণ্যে ধামইরহাট উপজেলা এখন জেলা পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের কোয়ার্টার ফাইনালে মোংলা উপজেলার বিপক্ষে ক্রিকেটের মাঠে মাত্র ২ ওভার বল করে ৬টি উইকেট শিকার করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন নোবেল।
এর আগে, চিতলমারীর পক্ষে সৌমিক সমাদ্দারের ২৭ বলে ৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে ১৩৩ রানের বড় লক্ষ্য পায় মোংলা। কিন্তু নোবেলের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে ১০ ওভারে মাত্র ৫৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় তারা। চিতলমারী সরকারি এস এম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র নোবেলের এমন বোলিং নৈপুণ্যেই সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চিতলমারী উপজেলা।
এক আয়োজক আশা করে বলেন, আনিতা ও নোবেলের মতো ক্ষুদে খেলোয়াড়রাই আগামী দিনে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের বড় সম্পদ হয়ে উঠবে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই দুই প্রতিভা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির লক্ষ্যকে আরও সার্থক করে তুলেছে।
ভোরের আকাশ/মেদ্র