শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্লাবগুলোর চাপ কমাতে খাবারের ব্যবস্থা বিসিবির

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুন ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) অতীতে দলগুলোর খেলোয়াড়দের খাবারের ব্যবস্থা করতে হতো সংশ্লিষ্ট ক্লাবকেই। তবে চলতি মৌসুমে সেই দায়িত্বের একটি অংশ নিজেদের কাঁধে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। নতুন এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল।

এর আগে খেলোয়াড়দের খাবার সরবরাহের পুরো দায়িত্বই ছিল ক্লাবগুলোর ওপর। বাবুল মনে করেন, বিসিবির এই উদ্যোগ দলগুলোর জন্য বড় স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘খাবারের মান নিয়ে আলাদা আলোচনা হতে পারে। তবে সাধারণত আমরা যে ধরনের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত, কোনো দল নিজ উদ্যোগে খাবারের ব্যবস্থা করলে তাদের অতিরিক্ত সময় ও শ্রম ব্যয় করতে হয়। কী খাবে, কোথা থেকে খাবার আসবে—এসব বিষয় নিয়েও ভাবতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘দলগুলোকে বিভিন্ন মাঠে খেলতে যেতে হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা থাকবে কি না, সেটিও একটি চিন্তার বিষয়। কিন্তু বোর্ড যখন এই দায়িত্ব নিয়েছে, তখন অন্তত দুপুরের খাবার নিয়ে ক্লাবগুলোকে ভাবতে হচ্ছে না। খেলোয়াড়রা যে ধরনের খাবার খেতে অভ্যস্ত, সেগুলোই সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে দলগুলো অনেকটাই চিন্তামুক্ত থাকতে পারছে। আমার মতে, এটি খুবই ভালো একটি উদ্যোগ।’

আরও পড়ুন

মোহামেডান–রূপগঞ্জ ম্যাচে তারকার মেলা

বাবুল জানান, আগে সব সময় ক্লাবগুলোকেই খাবারের ব্যবস্থা করতে হতো। এবারই প্রথম বিসিবি বিশেষ করে দুপুরের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে।

তার ভাষায়, ‘এতদিন ক্লাবগুলোই খাবারের ব্যবস্থা করত। এই বছরই প্রথম বিসিবি লাঞ্চের ব্যবস্থা করছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের পক্ষ থেকে আমি বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাই।’

ভোরের আকাশ/সু.পা

বিসিবি

শেয়ার করুন: