সিলেট টেস্টে ২৪৯ লিড নিয়ে লাঞ্চে টাইগাররা

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ দাপট দেখাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪৬ রানের লিড পেয়েছিল স্বাগতিকরা। দিন শেষে ৩ উইকেটে ১১০ রান সংগ্রহ করলেও তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে সেই লিড বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৯ রানে।
আজ (সোমবার) লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২০৩ রান। লিটন দাস ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন। হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২ রান দূরে রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম ৩৯ রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চে গেছেন।
১৫৬ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন ১৩ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ব্যাট করতে নামেন মুশফিকুর রহিম। তবে দিনের পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪৬ বল খেলে ১৫ রান করেন তিনি। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এরপর ক্রিজে এসে মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়েন লিটন দাস। দুজন মিলে পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে সাবলীল ব্যাটিং করেন। ৪১তম ওভারের তৃতীয় বলে লিটনের সিঙ্গেলে বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়ায়। শেষ পর্যন্ত প্রথম সেশন শেষে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি দাঁড়ায় ৮৮ রানে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ওপেনার তানজিদ তামিমকে হারায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত এই ব্যাটার ৭ বলে ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তার ইনিংসের একমাত্র বাউন্ডারিটিই ছিল একমাত্র স্কোরিং শট।
শুরুর ধাক্কা সামলে ইনিংস গড়েন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয়। বিশেষ করে জয় ছিলেন বেশ আক্রমণাত্মক। আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ৬১ বলে তুলে নেন ফিফটি। তবে অর্ধশতক ছোঁয়ার পরপরই থেমে যায় তার ইনিংস। ৬৪ বলে ৫২ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
অন্যদিকে মুমিনুল হকও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। ফিফটির দিকে এগোচ্ছিলেন তিনি। তবে ৬০ বলে ৩০ রান করে আউট হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। মুমিনুলের বিদায়ের পরপরই দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১১০ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ২৭৮ রান, জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে।
ভোরের আকাশ/সু.পা