শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ প্রাইজমানির অর্থ পাবে বাফুফেও

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

উরুগুয়ের মাটিতে ১৯৩০ সালে ফুটবলের প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়ে ২০২৬ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। দীর্ঘ ২২টি আসর পেরিয়ে ২৩তম বিশ্বকাপে নতুন রূপে হাজির হয়েছে ফুটবলের ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেমন বেড়েছে ফিফার আয়, তেমনি বেড়েছে প্রাইজমানির অঙ্কও। আর ফিফার এই আয়ের একটি অংশ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশও।

এবারের বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। ফিফার নীতি অনুযায়ী, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি বড় অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করা হয়। ফলে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর দেশের ফুটবলের উন্নয়ন ও গেম ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

ফিফার অর্থ বণ্টন নীতি সম্পর্কে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, “এই বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে অর্থ আয় করবে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশন পাবে। মূলত ফিফার আয়ের অন্যতম লক্ষ্যই হলো সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে সহায়তা করা।”

বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি। মিন্টু বলেন, “যখন দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়, তখন অন্য দেশগুলোর মধ্যেও উৎসাহ তৈরি হয়। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো মনে করে, তাদেরও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতাও বেড়েছে।”

এবারের বিশ্বকাপে অর্থের পরিমাণ কতটা বেড়েছে, তা স্পষ্ট দলগুলোর প্রাপ্ত অর্থের হিসাবেই। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও যাতায়াত খরচ বাবদ শুরুতেই পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার করে। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পেয়েছে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার করে। অর্থাৎ, শুরুতেই তাদের আয় দাঁড়িয়েছে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে ৭ অ্যাসিস্টেও গোলবঞ্চিত ওলিসে, ভাঙলের পেলের ৫৬ বছরের রেকর্ড

দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পেয়েছে ১২ মিলিয়ন ডলার করে। শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া দলগুলোর প্রাপ্তি ১৬ মিলিয়ন ডলার। কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেওয়া চার দল পেয়েছে ২০ মিলিয়ন ডলার করে।

এ ছাড়া তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার, চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালের রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ ৩৩ মিলিয়ন ডলার। আর বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দলের জন্য রাখা হয়েছে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ফিফা বিশ্বকাপ

শেয়ার করুন: