দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে টাইগাররা

ওপেনার সাইফ হাসানকে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আউট করে অস্ট্রেলিয়া চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। তবে এরপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেন। দুইজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ গড়েন।
তবে তানজিদ আউট হওয়ার পরই ছন্দপতন ঘটে স্বাগতিকদের ইনিংসে। এরপর দ্রুতই ফর্মে থাকা লিটন দাস ও পরে শান্তও ফিরে যান। মুহূর্তেই টপ অর্ডার ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৫ রান।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২০১১ সালের পর এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মুখোমুখি হয় দুই দল।
ইনিংসের শুরুতেই নাথান এলিসের প্রথম বলেই চার মেরে শুরু করেন সাইফ হাসান। তবে পরের বলেই তিনি আউট হন। ভেতরের দিকে আসা ডেলিভারিতে সাইফের ব্যাট ছুঁয়ে বল স্লিপে থাকা মার্নাস লাবুশেনের হাতে ধরা পড়ে। তিনি ৫ বলে ৫ রান করেন।
এরপর ক্রিজে আসা শান্তও শুরুতে আক্রমণাত্মক ছিলেন। এলিসের প্রথম বলেই চার মারেন তিনি। পরের বলেই স্লিপে ক্যাচ দেন, তবে সুযোগটি ফসকে দেন লাবুশেন।
অন্যদিকে, তামিম ও শান্ত ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেন এবং অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। বিশেষ করে তানজিদ ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। তিনি দ্রুত রান তোলেন এবং মাত্র ৪১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন।
তবে ফিফটি ছোঁয়ার পর বেশি দূর এগোতে পারেননি তানজিদ। নাথান এলিসের স্লোয়ার ডেলিভারিতে মিড-অফে জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তানজিদের বিদায়ের পর দ্রুতই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল।
ভোরের আকাশ/সু.পা