আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে আটলান্টায় বাড়তি নিরাপত্তা

ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামীকাল মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও দেখা হচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তির। তবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের উত্তাপ শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়। দুই দেশের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আটলান্টায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে সম্ভাব্য উত্তেজনার আশঙ্কায় আটলান্টা পুলিশ বিভাগ শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়েছে। স্টেডিয়াম এলাকা, বিনোদন কেন্দ্র এবং দর্শনার্থীদের ভিড় হয়—এমন সব স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে আটলান্টা পুলিশ জানিয়েছে, “ঐতিহাসিক এই সেমিফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই আগাম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার ফুটবল বৈরিতার পেছনে রয়েছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ। ৭৪ দিনব্যাপী ওই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সৈন্য, ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা এবং তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আর্জেন্টিনা দ্বীপপুঞ্জটিকে ‘লাস মালভিনাস’ নামে দাবি করে। এ অঞ্চলটির সার্বভৌমত্ব নিয়ে দুই দেশের বিরোধ এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এবারের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে একটি গান গাইতে দেখা যায়। সেই গানে ফকল্যান্ড (লাস মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জের পাশাপাশি দেশটির কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও বর্তমান তারকা লিওনেল মেসির নামও উঠে আসে।
ভোরের আকাশ/সু.পা