শিরোনাম
পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগসরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশপ্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটিক্যারিবীয়দের গুটিয়ে ২৭ রানের লিড বাংলাদেশেরজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যউখিয়ায় ১৪৪ ধারা জারিনভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবিএইচএসসির ফল শনিবার, যেভাবে জানবেনপিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগসরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশপ্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটিক্যারিবীয়দের গুটিয়ে ২৭ রানের লিড বাংলাদেশেরজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যউখিয়ায় ১৪৪ ধারা জারিনভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবিএইচএসসির ফল শনিবার, যেভাবে জানবেন

নৌবাহিনীর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সমাপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নৌবাহিনীর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সমাপ্ত
নৌবাহিনীর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সমাপ্ত

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ২২ দিনব্যাপী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শেষ হয়।

সরকার ঘোষিত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের এ অভিযান নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অপারেশনের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অভিযানকালে ২১২টি অপারেশন পরিচালনা করে ৮৪,২১,৬৭০ মিটার ও  ১৬৬টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ জাল, ৪টি বোট, ৫৭০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয় এবং ৬,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জব্দকৃত সামগ্রীর সর্বমোট ভিত্তিমূল্য ৬১,১৮,০৩,৮৯০.০০ (একষট্টি কোটি আঠারো লাখ তিন হাজার আটশত নব্বই) টাকা।

‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়নে নৌবাহিনী দেশের ৯টি জেলায় প্রতিনিয়ত ০৭টি জাহাজ ও কন্টিনজেন্টের মাধ্যমে টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করে। গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি মৎস্যযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ প্রতিরোধে জাহাজ ও মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা হয়। 

এছাড়াও, নৌবাহিনীর বোট ও কন্টিনজেন্টসমূহ সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন স্থানসমূহ সংরক্ষণ কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে। 

স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অবৈধ ইলিশ আহরণ প্রতিরোধে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ধৃত অবৈধ জালসমূহ স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয় এবং জব্দকৃত জাটকা মাছ স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়। 

আরও পড়ুন

গাজীপুরে পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা হত্যা, ঘাতক পিরোজপুরে গ্রেফতার

এছাড়াও, নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি ও মৎস্য আহরণে ব্যবহৃত বোটসমূহের বিরূদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ ধরনের অভিযান মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলেরা পুনরায় স্বাভাবিকভাবে মৎস্য আহরণ ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার পথও সুগম হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: