শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যমের কণ্ঠ দমনে ব্যবহার করা যাবে না সাইবার আইন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান জানিয়েছেন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের সময় এমন কোনো শব্দ বা বিধান রাখা হবে না, যার অপব্যবহার করে গণমাধ্যম কিংবা অন্য কারও কণ্ঠরোধ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। আইনের কিছু শব্দের দ্বৈত অর্থ থাকায় সেগুলো নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এর খসড়া পর্যালোচনা জন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘প্রথমে একটা অধ্যাদেশ ছিল, অধ্যাদেশের পরেই কিছু কাট করা হয়ে আবার আজ সময়োপযোগী যেভাবে করা যায় সেরকম। বাট আমরা এখনো ড্রাফটিং পর্যায়ে, আলোচনার পর্যায়ে।’

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু শব্দ আছে যেগুলোর ডুয়েল মিনিং আছে। আমরা গত ১৭ বছর ২০ বছরে দেখেছি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট থেকে আরম্ভ করে অন্যান্য কিছু সংবাদমাধ্যমকে বা নিউজপেপারকে দমিয়ে রাখা বা তদ্রুপ অ্যাবিউজ করার জন্যই একচুয়ালি ইউজ হয়েছে।’

‘কোনো কারণে আইন তো আর একদিনের জন্য হয় না। কোনো কারণে আমরা খুব কেয়ারফুল থাকার চেষ্টা করছি যে, কোনো ওয়ার্ডিং (শব্দ) যেন আগামীতে এই ধরনের কোনো স্কোপ বা এই ধরনের কোনো দরজা না খুলে দেয়। সুতরাং আমরা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছি, এরপর আমরা আবার কথা বলবো।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনো ধরনের কোনো আইনের ওয়ার্ডিংয়ের ইন্টারপ্রিটেশনের কারণে এমনভাবে যেন না হয় যে মিডিয়া বা অন্য কারও ওপর এটার কোনো অ্যাবিউজ করা বা কোনো ধরনের খারাপ কিছু হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল টার্গেটটা হলো সোশ্যাল হারমনি, স্টপ ক্রাফটিং পাবলিক মোরাল। এই যে আমরা ইদানীং দেখছি ফেসবুক বলেন বা সব জায়গাতে বলেন, যে একটা গালিগালাজের ইন দ্য নেম অব ডেমোক্রেসি, গালিগালাজ, অ্যাবিউসিভ ল্যাঙ্গুয়েজ বা যা যা হচ্ছে।’

আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘তো এই জিনিসগুলিকে আমরা কীভাবে আইনের মধ্যে আনতে পারি, অ্যাট দ্য সেম টাইম আমরা কীভাবে এক্সপ্রেস, মানে মিডিয়ার যে ফ্রিডম সেটাকেও রেসপেক্ট করতে পারি, দুইটা জিনিস কোনোভাবেও না ম্যাচ করে, মানে কোনোভাবে কনফ্লিক্ট না করে, এই ব্যাপারেই আমরা বারবার কথা বলার চেষ্টা করছি।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি, কোনোভাবেই এই আইনকে কারও কণ্ঠ নিপীড়ন-পেষণের জন্য, দমন করার জন্য বানানো হচ্ছে না বা যেটা আমরা আগে দেখেছি। সো এ নিয়ে আমরা এখনো ড্রাফটিং লেভেলে এবং আলাপের পর্যায়ে আছি। সামনে যখন হবে, তখন হবে।’

এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘মূলত সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে আমাদের একটা মিটিং ছিল আজ, সকাল ১০টা থেকে। সেখানে আমাদের পাঁচটা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়সহ আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা ছিলেন। সবার সঙ্গে ডিসকাশন হয়েছে। বাট, আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। শুধু আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টে কীভাবে, স্পেশালি আমরা এই কনটেন্টগুলো নিয়ে বেশি ওরিড। আপনাদের এই যে আপনার মেটা বলেন বা টিকটক বলেন বা আপনার ইউটিউব বলেন, এখানে যে আপনার এই যে বা আপনার পারসোনাল অ্যাক্ট অ্যাসোসিয়েশন হচ্ছে, এটি নিয়ে বেশি ওরিড। আপনারা এরই মধ্যে অনেক কিছু দেখেছেন।’

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘আমাদের মেইন সাবজেক্ট কিন্তু ওইটাই যে কী করে এই কনটেন্টগুলো বন্ধ করা যায়। আপনারা এরই মধ্যে দেখেছেন সব কনটেন্ট নিয়ে নানা রকমের কথাবার্তা হচ্ছে। আবার এমনও হচ্ছে যে কনটেন্ট দেখে অনেকেরই পারিবারিক অশান্তি হচ্ছে। আবার অনেক পরিবারে সুইসাইডাল আমরা শুনতে পাচ্ছি। তো এই ব্যাপারে কিন্তু আমরা খুব সিরিয়াস, এই কনটেন্টগুরো নিয়ে।’

আরও পড়ুন

বাড়ছে পদ্মার পানি, ঝুঁকিতে চরাঞ্চল

‘কিন্তু প্রিন্টিং মিডিয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো এখানে দেয়ার ইজ এ ডিফারেন্স। প্রিন্টিং মিডিয়া ইজ ডিফারেন্স, আবার সাইবার সিকিউরিটি ইজ ডিফারেন্স। সুতরাং আমরা সাইবার সিকিউরিটির আপনার ওটাকে নিয়ে কথা বলছি এবং কী করে এই যে সিরিয়াস কনটেন্টগুলো, যেসব কনটেন্ট আমাদের ক্ষতি করছে, আমাদের সামাজিক ক্ষতি করছে, এটার ওপরে আমরা কথা বলেছি।’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেন, ‘তবে আমরা আরেকটা মিটিং দিয়েছি, আজ শেষ হয়নি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় আবার মিটিং দিয়েছি আমরা। এখানে ফার্দার ডিসকাশন করতে হবে। কারণ আমাদের ডিসকাস করা উচিত। কারণ একটা আইন করার আগেই আপনাদের সবার মতামত নিয়েই যেন একটা ভালো আইন করতে পারি, সেটাকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করছি।’

ভোরের আকাশ/জেআ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

শেয়ার করুন: