শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ১০ হত্যা, ধর্ষণের শিকার শিশুসহ ৯ জন: জনসংহতি সমিতি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১০ জন হত্যা এবং শিশুসহ ৯ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

একই সময়ে তিন পার্বত্য জেলায় ১৫৪ জন আদিবাসী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো চলতি বছরের অর্ধ-বার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র গ্রুপ, সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী গোষ্ঠী, বাঙালি সেটেলার ও ভূমিদস্যুদের দ্বারা’ ৫৭টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনার মধ্যে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, মারধর, হত্যা, গুলিতে আহত, তল্লাসি, হত্যার হুমকি, টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই, চাঁদা দাবির মত ঘটনা ছিল।

ছয় মাসে নারী ও শিশুর উপর সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়, ৫৭টি ঘটনার মধ্যে আদিবাসী নারী ও শিশুর উপর ১১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সাত শিশু এবং দুই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনজনকে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ করা হয়। একজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া হত্যার শিকারদের মধ্যে ২ নারী রয়েছেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ৫৭টি ঘটনার মধ্যে ইউপিডিএফ (প্রসিত), মগপার্টি নামে পরিচিত মারমা লিবারেশন পার্টি, বমপাটি নামে পরিচিত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ১২টি ঘটনা ঘটিয়েছে। একটি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় হামলাকারী সেটেলার ও রোহিঙ্গারা উল্টো হামলার শিকার ম্রো গ্রামের ১০ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ করেছে।

আরও পড়ুন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে আপাতত কোনো অগ্রগতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পড়াশোনা করানোর লোভ দেখিয়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলোর ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, বান্দরবানের বিভিন্ন মাদ্রাসায় ভর্তি করে বাবা-মার অজান্তে ‘ধর্মান্তরকরণেরও’ অভিযোগ উঠেছে বলে তথ্য দিয়েছে জনসংহতি সমিতি।

সংগঠনটি বলছে, “পূর্ববর্তী সরকারের মত বিএনপি সরকারও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধান করছে না। ফলে বিএনপি সরকার গঠিত হওয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতির বিশেষ কোনো উন্নতি হয়নি।”

ভোরের আকাশ/এনএস

জনসংহতি সমিতি

শেয়ার করুন: