শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য

ঈদুল ফিতরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জনের প্রাণহানি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার ১৫ দিনে সারাদেশে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত এবং অন্তত ১০৪৬ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এবার প্রাণহানি ৮.২৬ শতাংশ এবং দুর্ঘটনা ৮.৯৫ শতাংশ বেড়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০২৬’ প্রকাশ করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত এবং ১২৮৮ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত এবং নৌপথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে কর্মস্থলে ফেরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে।

এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। ঈদে ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬.১২ শতাংশ এবং নিহতের ৩৮.৪৬ শতাংশ। এছাড়া দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান এবং ১৬.২২ শতাংশ যাত্রীবাহী বাস ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, নতুন সরকার আসলেও পরিবহন খাতে পুরোনো আমলা এবং মালিক-শ্রমিক নেতাদের মাফিয়া স্টাইল নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘সরকারের ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় যাত্রী বা নাগরিক সমাজের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। পরিবহন মালিকরা একচেটিয়া সুবিধা নিতে ভাড়া নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে।’

দুর্ঘটনার মূল কারণসমূহ:
১. সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সার অবাধ চলাচল।
২. ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অদক্ষ চালক।
৩. উল্টোপথে গাড়ি চালানো এবং সড়কে চাঁদাবাজি।
৪. অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে যাত্রীদের ট্রাক, পিকআপ ও ট্রেনের ছাদে জীবনঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ।

দুর্ঘটনা রোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার ও স্মার্ট ভাড়া পদ্ধতি চালু করা, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সার নিবন্ধন বন্ধ করা, জাতীয় মহাসড়কে রাতে আলোর ব্যবস্থা করা এবং চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একই সময়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মোট ২১৭৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলে। 

ভোরের আকাশ/আ.র

সড়ক দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন: