শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তায় নজরদারি করছে পুলিশ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ মার্চ ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তা নজরদারি করছে পুলিশ। জ্বালানি তেল নিয়ে সংকটের আশঙ্কায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে নজরদারি করছে। এসব স্টেশনে পুলিশের টহলদল তৎপর রয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হলে পুলিশ তা সামাল দেবে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশেও জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছে এবং বেশি বেশি তেল কিনছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর একাধিক ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে মোটরসাইকেলের চালকদের মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এদিকে গতকাল ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, একটি মোটরসাইকেলে দিনে দুই লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে নিতে পারবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

 

পুলিশফিলিং স্টেশন

শেয়ার করুন: