শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি ‘মানবপাচারকারী’ ও ৯ ভুক্তভোগী আটক

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় পাচারের শিকার নয় বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ; তাদের অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, সেলাঙ্গরের পেটালিং জায়ায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ‘শফিক গ্যাং’ নামে পরিচিত বাংলাদেশি অভিবাসী পাচারকারী চক্রের ওই দুই সদস্যকে আটক করে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

গত ৫ মে ওই অভিযানের পর ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, মালয়েশিয়ায় পাচার করে আনা হয়েছে এমন সন্দেহে তারা নয়জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছেন।

তিনি বলেন, পাচারে সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করা চক্রের আরও দুই বাংলাদেশি সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী ২০০৭ সালের আইনে তদন্তের জন্য তাদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

বারনামা লিখেছে, যে বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়েছিল, সেটি অবৈধ অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা এবং ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হত।

জাকারিয়াকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, “ধারণা করা হচ্ছে, তারা (নয় বাংলাদেশি) প্রায় দুই দিন আগে একটি প্রতিবেশী দেশে প্রবেশ করে, এরপর সেখান থেকে পাচার হয়ে মালয়েশিয়ায় আসে।”

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার অন্য দুই বাংলাদেশি ওই ট্রানজিট হাউজের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন।

আরও পড়ুন

মান্দা থানা ও ব্যারাকের সংস্কার কাজের উদ্বোধন

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে সক্রিয় ছিল এই চক্রটি। তারা তৃতীয় কোনো দেশের রুট ব্যবহার করে এবং কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় নিত। এরপর তাদের সরাসরি ক্লাং ভ্যালি এলাকায় নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হত।

জাকারিয়া বলেন, প্রত্যেক অভিবাসী আনার জন্য চক্রটি ১৫ হাজার রিঙ্গিত (৩,৮২৫ ডলার) পর্যন্ত আদায় করত। এ কারবার শুরুর পর থেকে তারা প্রায় ১৬ লাখ রিঙ্গিতের (৪ লাখ ৮ হাজার ডলারের বেশি) ব্যবসা করেছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

মানবপাচার চক্রমালয়েশিয়াআটক

শেয়ার করুন: