শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল কাতার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ জুলাই ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় কাতার এনার্জি চলতি বছর বাংলাদেশে তাদের পূর্বনির্ধারিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ এক ধাক্কায় অর্ধেক করে দিয়েছে। পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান এবং শিল্প খাতের বিভিন্ন সূত্র সোমবার (৬ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আব্দুল মান্নান বলেন, বর্তমানে আমরা যে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি, এই সব সমস্যার মূল কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ।

তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ হাত গুটিয়ে বসে নেই। আব্দুল মান্নান জানান, জ্বালানির এই বড় ঘাটতি পূরণ করতে আমরা ইতোমধ্যে বিকল্প উৎসের সন্ধান শুরু করেছি। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক খোলা বাজার থেকে বেশি পরিমাণে এলএনজি কেনার পাশাপাশি অন্যান্য গ্যাস উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) নতুন চুক্তি করার চেষ্টা চলছে। দেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই যেখান থেকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক শর্তে গ্যাস পাওয়া যাবে, আমরা সেই বিকল্প বেছে নেব।

তথ্যমতে, আমেরিকার পর কাতার হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ। একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস সরবরাহকারী অংশীদার। গত বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করেছিল, যার মধ্যে শুধু কাতার থেকে এসেছিল ৪১ দশমিক ৫ লাখ টন। কাতার এনার্জির সঙ্গে পেট্রোবাংলার দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি চালু রয়েছে। একটির অধীনে বার্ষিক ২৫ লাখ টন এবং অন্যটির অধীনে বার্ষিক ১৮ লাখ টন এলএনজি পাওয়ার কথা।

তবে পেট্রোবাংলা প্রধান আব্দুল মান্নান আশ্বস্ত করে বলেন, নির্ধারিত সরবরাহ অর্ধেক কমালেও কাতার আমাদের আশ্বস্ত করেছে, তারা পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসম্ভব গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। অবশ্য এই বিষয়ে কাতার এনার্জির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুদ্ধ যেভাবে পরিস্থিতি বদলে দিল

জ্বালানি বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা কেপলারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো পেয়েছিল।

কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কাতারের মূল রপ্তানি কেন্দ্র ‘রাস লাফান’ থেকে বোঝাই করা কোনো এলএনজি কার্গো বাংলাদেশে আসেনি। ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে মার্চ মাস থেকে খোলা বাজারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ খোলা বাজার থেকে ৩৫টি কার্গো এলএনজি আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কেবল অল্প কয়েকটি খালি এলএনজি ট্যাংকার কোনোমতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রবেশ ও পারস্য উপসাগর পার হতে পারছে।

আরও পড়ুন

আনচেলত্তির ভুল কৌশলেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গ

কেপলারের পরিসংখ্যান বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাস লাফান কেন্দ্র থেকে গ্যাসবোঝাই করা অন্তত ১৪টি এলএনজি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি পার হতে পেরেছে, তবে বৈশ্বিক সমীকরণের কারণে তার একটিও বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়নি।

পুরো বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ বা এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হয়।

ভোরের আকাশ/এনএস

এলএনজিকাতার

শেয়ার করুন: