শিরোনাম
অটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দামখুলনায় দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধারশ্রমিক আন্দোলনের মুখে ৬৯০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধআশুলিয়ায় ২৬৪ পোশাক কারখানা বন্ধচার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দামখুলনায় দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধারশ্রমিক আন্দোলনের মুখে ৬৯০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধআশুলিয়ায় ২৬৪ পোশাক কারখানা বন্ধচার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

হজের কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
হজের কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের
হজের কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের

২০২৭ সালের পবিত্র হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর, সৌদি সরকারের কাছে আরও ২০ হাজার অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

নির্ধারিত কোটার বাইরে ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী বর্তমানে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এ দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা, বর্ধিত কোটা, সৌদি আরবে আটকে রাখা মেডিকেল ফির টাকা ফেরত এবং হজযাত্রীদের প্যাকেজের বাকি টাকা জমা দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৫ মে ২০২৭ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ বছর সৌদি সরকার বাংলাদেশের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের মূল হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে গত কয়েক বছর হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় সৌদি সরকার এ কোটা কমিয়ে দেয়।

হাবের নেতারা বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এবার হজযাত্রীর সংখ্যা আশাতীতভাবে বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকের পরিবারের একাধিক সদস্য নিবন্ধন করতে পারলেও অন্যরা কোটার অভাবে অপেক্ষায় রয়েছেন। এ অবস্থায় অন্তত ২০ হাজার অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দ দেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এমপির প্রতি সৌদি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে হাব।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তারা আশাবাদী। মন্ত্রী এ বিষয়ে আশ্বস্ত করলেও অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

এ জন্য প্রধানমন্ত্রী, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হাব নেতারা। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কাছে পাওনা অবশিষ্ট অর্থও দ্রুত ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান তারা।

এ ছাড়া সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মক্কায় কাউন্সেলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম, কনসাল (হজ) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, জেদ্দায় বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এবং হজ কার্যক্রমে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

হজযাত্রীদের সেবায় সহযোগিতার জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহসহ সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে হাব নেতারা জানান, ২০২৭ সালের হজে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত যাত্রীদের প্যাকেজের সম্পূর্ণ টাকা আগামী ৭ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে বাকি টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন না করলে প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল বলে গণ্য হবে। এতে সংশ্লিষ্টদের আগামী বছরের হজযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

তাই প্রাথমিক নিবন্ধন করা সব হজযাত্রীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যাকেজের বাকি টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে হাব।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা বলেন, গণমাধ্যমের সহযোগিতায় হজ ব্যবস্থাপনা ক্রমেই সুশৃঙ্খল ও সফল হচ্ছে। ২০২৬ সালের হজ অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী বছরও হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: