শিরোনাম
আগামী গ্রীষ্মে কিছুটা হলেও লোডশেডিং কম দিতে পারবো: জ্বালানিমন্ত্রীসোমবার থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীহাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন৩৬ ভিলা কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে আইএএস-আইপিএস দম্পতিডিএমপির নিয়মিত অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৫রাশিয়া-ইউক্রেনকে সতর্ক করলেন এরদোগানডিএমপির নিউজ পোর্টাল ‘হ্যাক’, ভাসছে রাজনৈতিক বার্তা, সহিংসতার চিত্রগাজীপুরে তৃতীয় দিনের মতো শ্রমিক বিক্ষোভ, ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনআগামী গ্রীষ্মে কিছুটা হলেও লোডশেডিং কম দিতে পারবো: জ্বালানিমন্ত্রীসোমবার থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীহাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন৩৬ ভিলা কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে আইএএস-আইপিএস দম্পতিডিএমপির নিয়মিত অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৫রাশিয়া-ইউক্রেনকে সতর্ক করলেন এরদোগানডিএমপির নিউজ পোর্টাল ‘হ্যাক’, ভাসছে রাজনৈতিক বার্তা, সহিংসতার চিত্রগাজীপুরে তৃতীয় দিনের মতো শ্রমিক বিক্ষোভ, ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

মেট্রোরেলের তিন স্টেশন বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের জেরে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে মেট্রোরেলের তিনটি স্টেশন। স্টেশনগুলো হলো মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী। নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন তিনটিতে আপাতত ট্রেন থামছে না। যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ রয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে এমআরটি কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এমআরটি কন্ট্রোল রুম জানায়, মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা ও যাত্রীদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত স্টেশনগুলোতে ট্রেন থামানো, যাত্রী ওঠানামা ও সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে মিরপুর, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করছেন পোশাক শ্রমিকেরা। এর ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৪ ও প্রশিকা মোড় এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন হাজারো শ্রমিক।

আরও পড়ুন

হাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন

একপর্যায়ে মিরপুর-১১ এলাকায় আন্দোলনরত শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, ওয়াটার ক্যানন ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এতে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে মিরপুরে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় মেট্রোরেলের ওপর নির্ভর করতে চেয়েছিলেন অনেক যাত্রী। তবে স্টেশনগুলোর আশপাশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তিনটি স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মিরপুর এলাকার অধিকাংশ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ভোরের আকাশ/জেআ

পোশাকশ্রমিক

শেয়ার করুন: