শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা
যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিলেন, আজ তারাই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার সংস্থা (এসএএইচআর)-এর একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সংস্থার সহসভাপতি রশ্মি গোস্বামী, পাকিস্তানের মানবাধিকারকর্মী সারুপ ইজাজ, শ্রীলঙ্কার দীকশ্য ইলাঙ্গাসিংহে ও অনুশায়া কল্লুরে এবং বাংলাদেশের সাঈদ আহমেদ। এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার যুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সংস্কার কমিশনসহ নীতি প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে তরুণদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন নেতৃত্বে রয়েছে। প্রবীণ প্রজন্ম হিসেবে তাদের পথপ্রদর্শন ও সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

প্রতিনিধিদলের সদস্য রশ্মি গোস্বামী বলেন, “এ মুহূর্ত শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই রূপান্তরমূলক সময়। সুশীল সমাজের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। এই সরকারের প্রতি তরুণদের প্রত্যাশা অনেক বেশি, যা পূরণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

প্রতিনিধিদল অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ, মানবাধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে মসৃণ করার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

ভোরের আকাশ//হ.র

প্রধান উপদেষ্টা

শেয়ার করুন: